দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
মৌলভীবাজারের রাজনগরে বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ চা সংসদ এর মধ্যকার ২০২১-২২ সালের চা-শ্রমিকদের ৩০০টাকা মজুরী বৃদ্ধি সহ অন্যান্য চুক্তি বাস্তবায়নে মালিক পক্ষের কালক্ষেপনের প্রতিবাদে ২ঘন্টা কর্মবিরতি ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার মাথিউড়া চা বাগানের চা-শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মাথিউড়া চা-বাগান পঞ্চায়েত কমিটি ও চা-শ্রমিকদের আয়োজনে বাগান মাঠে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন টেংরা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সত্য নারায়ন নাইডু, মহিলা ইউপি সদস্য রাম দুলারী, মাথিউড়া চা-বাগানের পঞ্চায়েত সভাপতি সুগ্রিম গৌর, সেক্রেটারি রামলাল সাধু, নবমি রাজভর, বাবুলাল গৌড়, লালন রাজভর, জয় গৌড়, আবুল কালাম আজাদ, সমলু সালিয়া প্রমূখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চা-বাগানগুলোর মালিক পক্ষ দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাস্তবায়ন না করে আমাদের সাথে টালবাহানা করছে। আমাদের মজুরি ১২০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা করার দাবি অনেক দিনের। মালিকপক্ষ ইতিমধ্যে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। আমরা এটা ১৪টাকা মানি না মানবো না। আরও পড়ুনঃ হোমিও ডাক্তারকে হত্যার দায়ে কুষ্টিয়ায় ৪ জেএমবির যাবজ্জীবন ১৩৪ টাকা দিয়ে একজন শ্রমিকের জীবন কিভাবে চলবে। বর্তমানে বাজারে দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সংগতি রেখে চা-শ্রমিকের মজুরি ৩০০ টাকায় উন্নীত করার দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত চা-শ্রমিকদের আন্দোলন চলবে।
মৌলভীবাজারের রাজনগরে বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ চা সংসদ এর মধ্যকার ২০২১-২২ সালের চা-শ্রমিকদের ৩০০টাকা মজুরী বৃদ্ধি সহ অন্যান্য চুক্তি বাস্তবায়নে মালিক পক্ষের কালক্ষেপনের প্রতিবাদে ২ঘন্টা কর্মবিরতি ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার মাথিউড়া চা বাগানের চা-শ্রমিকরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চা-বাগানগুলোর মালিক পক্ষ দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাস্তবায়ন না করে আমাদের সাথে টালবাহানা করছে। আমাদের মজুরি ১২০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা করার দাবি অনেক দিনের। মালিকপক্ষ ইতিমধ্যে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। আমরা এটা ১৪টাকা মানি না মানবো না।
১৩৪ টাকা দিয়ে একজন শ্রমিকের জীবন কিভাবে চলবে। বর্তমানে বাজারে দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সংগতি রেখে চা-শ্রমিকের মজুরি ৩০০ টাকায় উন্নীত করার দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত চা-শ্রমিকদের আন্দোলন চলবে।