দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
১৭২
বার পঠিত
-ছবি প্রতীকী।
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দুই সন্তানের জননী গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার
গোলাম রাব্বীঃ রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ঘটেছে এক হৃদ'য়বিদারক ও লো'মহর্ষক ঘটনা। গজঘণ্টা ইউনিয়নের এক নিরীহ গৃহবধূ, দুই সন্তানের জননী কাওছারা বেগম, পাটক্ষেতে শাক তুলতে গিয়ে গণ'ধর্ষ'ণের শিকার হন। শুধু তাই নয়, ওই পাশবিক নির্যা'তনের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে অভিযুক্তরা। একের পর এক হুমকি, অপমান ও অনৈতিক প্রস্তাবে চরম মানসিক যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরদিন সকালে বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেন কাওছারা। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই থেমে যায় তার প্রাণ। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনা জানার পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন তিনি। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোক, ক্ষোভ আর আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, যেন দ্রুত তদন্ত করে অপ;রাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়, যাতে আর কোনো মা, বোন বা মেয়ে এমন পরিণতির শিকার না হয়।
গোলাম রাব্বীঃ
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ঘটেছে এক হৃদ’য়বিদারক ও লো’মহর্ষক ঘটনা। গজঘণ্টা ইউনিয়নের এক নিরীহ গৃহবধূ, দুই সন্তানের জননী কাওছারা বেগম, পাটক্ষেতে শাক তুলতে গিয়ে গণ’ধর্ষ’ণের শিকার হন। শুধু তাই নয়, ওই পাশবিক নির্যা’তনের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে অভিযুক্তরা। একের পর এক হুমকি, অপমান ও অনৈতিক প্রস্তাবে চরম মানসিক যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন তিনি।
পরদিন সকালে বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেন কাওছারা। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই থেমে যায় তার প্রাণ। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনা জানার পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন তিনি।
এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোক, ক্ষোভ আর আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, যেন দ্রুত তদন্ত করে অপ;রাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়, যাতে আর কোনো মা, বোন বা মেয়ে এমন পরিণতির শিকার না হয়।