ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি Logo নগরকান্দায় ৯৫০ পিচ ইয়াবাসহ আটক ১
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

বগুড়ায় জেলা জজের পদায়ন নিয়ে বিরোধ, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

মোঃ সালমান কবির হৃদয়:

 

বগুড়ায় সদ্য যোগদান করা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মনিরুজ্জামানের পদায়ন নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা জজের এজলাসে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা, হট্টগোল ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক শুনানি স্থগিত করে এজলাস ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

 

জানা গেছে, নতুন জেলা জজের পদায়ন বাতিল ও অপসারণের দাবিতে বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতি আদালত বর্জন কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যেই বিচারক এজলাসে উঠলে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব একটি মামলার শুনানির আবেদন করেন। বিচারক আবেদনটি গ্রহণ করে শুনানি শেষ করেন।

 

পরে অন্য একটি মামলার শুনানি করতে গেলে বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম বাধা দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে আদালত বর্জনের পক্ষে ও বিপক্ষে থাকা আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি শুরু হলে এজলাসে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। পরে বিচারক খাসকামরায় চলে যান।

 

এর আগে সকালে একই দাবিতে জেলা জজ আদালতের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন বার সমিতির আইনজীবীরা।

 

বার সমিতির অভিযোগ, এর আগে বগুড়ায় দায়িত্ব পালনকালে বিচারক মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। এ কারণে তাঁর পদায়ন বাতিলের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এসব অভিযোগ অবশ্য বার সমিতির পক্ষ থেকে করা হয়েছে; স্বাধীনভাবে এর সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

 

তবে অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব বলেন, জেলা জজ না থাকায় বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা ভোগান্তিতে ছিলেন। বিচারিক কার্যক্রম সচল রাখতে তাঁরা শুনানিতে অংশ নিয়েছেন।

 

অন্যদিকে, বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পদায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আদালত বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পানি কমলেও বাড়ছে পদ্মার ভাঙন, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বিদ্যুতের পোল

error: Content is protected !!

বগুড়ায় জেলা জজের পদায়ন নিয়ে বিরোধ, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

আপডেট টাইম : ৪ ঘন্টা আগে
মোঃ সালমান কবির হৃদয়, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া :

মোঃ সালমান কবির হৃদয়:

 

বগুড়ায় সদ্য যোগদান করা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মনিরুজ্জামানের পদায়ন নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা জজের এজলাসে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা, হট্টগোল ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক শুনানি স্থগিত করে এজলাস ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

 

জানা গেছে, নতুন জেলা জজের পদায়ন বাতিল ও অপসারণের দাবিতে বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতি আদালত বর্জন কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যেই বিচারক এজলাসে উঠলে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব একটি মামলার শুনানির আবেদন করেন। বিচারক আবেদনটি গ্রহণ করে শুনানি শেষ করেন।

 

পরে অন্য একটি মামলার শুনানি করতে গেলে বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম বাধা দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে আদালত বর্জনের পক্ষে ও বিপক্ষে থাকা আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি শুরু হলে এজলাসে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। পরে বিচারক খাসকামরায় চলে যান।

 

এর আগে সকালে একই দাবিতে জেলা জজ আদালতের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন বার সমিতির আইনজীবীরা।

 

বার সমিতির অভিযোগ, এর আগে বগুড়ায় দায়িত্ব পালনকালে বিচারক মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। এ কারণে তাঁর পদায়ন বাতিলের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এসব অভিযোগ অবশ্য বার সমিতির পক্ষ থেকে করা হয়েছে; স্বাধীনভাবে এর সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

 

তবে অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব বলেন, জেলা জজ না থাকায় বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা ভোগান্তিতে ছিলেন। বিচারিক কার্যক্রম সচল রাখতে তাঁরা শুনানিতে অংশ নিয়েছেন।

 

অন্যদিকে, বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পদায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আদালত বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।