মোঃ নূর ই আলম (কাজী নূর):
যশোরের সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি যশোর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। আসন পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনাকে একটি গভীর ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে বুধবার (২০ আগস্ট) বেলা ১২টায় প্রেসক্লাব যশোরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘একজন বিতর্কিত লোক আবেদন করবে আর তার জন্য রাষ্ট্র একটি সিদ্ধান্ত নেবে তা জনগণ কখনো মেনে নেবে না। আগামী নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এবং এটি তারই অংশ। এ জন্য আমরা প্রয়োজনে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
এ সময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, বিএনপি নেতা ও যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান, গোলাম রেজা দুলু, আব্দুস সালাম আজাদ, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম, শহিদুল বারী রবু, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, আঞ্জুরুল হক খোকন, কাজী আজম, সিরাজুল ইসলাম, এম তমাল আহমেদ, আনছারুল হক রানা প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘স্বাধীনতার পর বর্তমান অবস্থার ওপর ভিত্তি করেই যশোরের ৬টি আসনে নির্বাচন হয়েছে। শুধুমাত্র ২০০৮ সালে অনির্বাচিত সরকারের আমলে এর ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছিল। যেটি দেশে অগণতান্ত্রিক শাসনকে দীর্ঘায়িত করে। একটি নির্ধারিত সীমারেখায় জনগণ বছরের পর বছর নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করছে। ভোটারদের ভেতরে একটি পরিবারের মতো পরিবেশ রয়েছে। এখানে আসন ভিত্তিক যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও বন্ধন তৈরি হয়েছে সেটা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ুক এটি কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না।’
যশোর- ৩ (সদর) আসনটি এ অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার প্রতীক উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘প্রায় ২৫ লাখ মানুষের আশা- আকাঙ্ক্ষা এই আসনের সাথে জড়িত। এই আসনের কোনো ব্যবচ্ছেদ কিংবা পরিবর্তন তারা মেনে নেবেন না। একইভাবে যশোর- ৬ আসনের পরিবর্তনও কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
যেকোন বিচারেই কোন সংসদীয় এলাকায় জনমত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ‘জনমতকে উপেক্ষা করে কিংবা তাদের মতামতের গুরুত্ব না দিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত আইন, সংবিধান ও রীতির বিরুদ্ধ। আমরা কোন অবস্থাতেই এই জাতীয় কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার অপচেষ্টা মেনে নেবো না।’
এর আগে একই দাবিতে যশোর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল জেলা নির্বাচন অফিস কার্যালয় ঘেরাও করে। পরে তারা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়।

মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার 
মোঃ নূর-ই-আলম (কাজী নূর), যশোর জেলা প্রতিনিধি 





















