ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ভোলাহাটে ২১শে পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী

রনি রজবঃ

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার কৃতি সন্তান জিয়াউল হক (১৯৩৪-বর্তমান) একজন দই বিক্রেতা ও সমাজসেবক, যিনি শিক্ষার আলো ছড়াতে নিজের উপার্জিত অর্থে পাঠাগার স্থাপন এবং দরিদ্রদের সাহায্য করে ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০২৪ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। তাঁর সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ভাণ্ডারে তিন কোটি টাকার বেশি অনুদান অন্তর্ভুক্ত ।

জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী ও অবদান:

জন্ম ও শৈশব: জিয়াউল হক ১৯৩৪ সালের ৬ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভূজা বটতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।

শিক্ষাজীবন: দারিদ্র্যের কারণে ১৯৫৫ সালে মাত্র পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ পান তিনি ।

কর্মজীবন ও সমাজসেবা: তিনি পেশায় একজন দই বিক্রেতা ছিলেন। দই বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ নিজের সংসারের পরিবর্তে সমাজসেবায় ব্যয় করেছেন। ১৯৬৯ সালে তিনি নিজের বাড়িতেই ‘জিয়াউল হক সাধারণ পাঠাগার’ স্থাপন করেন ।

অনুদান ও স্বীকৃতি: তিনি বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা এবং দরিদ্র মানুষদের শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য কোটি টাকার বেশি অনুদান দিয়েছেন । নিঃস্বার্থ সমাজসেবার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক (২০২৪) এবং ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ।
তিনি বর্তমানেও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত আছেন ।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুর বোচাগঞ্জে সাবেক স্ত্রী’র হাতে স্বামী খুন

error: Content is protected !!

ভোলাহাটে ২১শে পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী

আপডেট টাইম : ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
রনি রজব, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি :

রনি রজবঃ

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার কৃতি সন্তান জিয়াউল হক (১৯৩৪-বর্তমান) একজন দই বিক্রেতা ও সমাজসেবক, যিনি শিক্ষার আলো ছড়াতে নিজের উপার্জিত অর্থে পাঠাগার স্থাপন এবং দরিদ্রদের সাহায্য করে ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০২৪ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। তাঁর সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ভাণ্ডারে তিন কোটি টাকার বেশি অনুদান অন্তর্ভুক্ত ।

জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী ও অবদান:

জন্ম ও শৈশব: জিয়াউল হক ১৯৩৪ সালের ৬ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভূজা বটতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।

শিক্ষাজীবন: দারিদ্র্যের কারণে ১৯৫৫ সালে মাত্র পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ পান তিনি ।

কর্মজীবন ও সমাজসেবা: তিনি পেশায় একজন দই বিক্রেতা ছিলেন। দই বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ নিজের সংসারের পরিবর্তে সমাজসেবায় ব্যয় করেছেন। ১৯৬৯ সালে তিনি নিজের বাড়িতেই ‘জিয়াউল হক সাধারণ পাঠাগার’ স্থাপন করেন ।

অনুদান ও স্বীকৃতি: তিনি বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা এবং দরিদ্র মানুষদের শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য কোটি টাকার বেশি অনুদান দিয়েছেন । নিঃস্বার্থ সমাজসেবার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক (২০২৪) এবং ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ।
তিনি বর্তমানেও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত আছেন ।