দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আব্দুল হামিদ মিঞা: আড়ানী ও বাঘা পৌরসভা এলাকায় অনুমোদনহীন ও নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। পৌর কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি না থাকায় নিয়ম ভেঙে চলছে বিলাসবহুল ভবন নির্মাণের কাজ। সরেজমিনে আড়ানী পৌরসভার মাস্টারপাড়া ও বাঘা পৌরসভার মিলিক বাঘা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভার অনুমতি ছাড়াই একাধিক ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। আড়ানী পৌরসভার মাস্টারপাড়ায় একটি বিলাসবহুল ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। ওই পাড়ায় মুক্তি রানীর জমির পশ্চিম পাশে বাড়িটি নির্মাণ করছেন পিন্টু সরকার। নির্মাণকাজের দেখভাল করছেন তার ভাই সাইফুল ইসলাম। নির্মাণাধীন ওই ভবনের নকশার অনুমোদন রয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, নকশা বহির্ভূত নির্মাণের কারণে সড়ক সরু হয়ে যাচ্ছে এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে জলাবদ্ধতা ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়ছে। এ বিষয়ে আড়ানী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সোহের রানা বলেন, “গত এপ্রিল মাসে সভায় ১২টি বাড়ির নকশার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আরও পাঁচটি আবেদন জমা পড়েছে। অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযান চালানো হবে।” বাঘা পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মুকুল হোসেন বলেন, “অনুমোদনহীন ভবনের মালিকদের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে শতাধিক ব্যক্তিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”
আব্দুল হামিদ মিঞা:
আড়ানী ও বাঘা পৌরসভা এলাকায় অনুমোদনহীন ও নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। পৌর কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি না থাকায় নিয়ম ভেঙে চলছে বিলাসবহুল ভবন নির্মাণের কাজ।
সরেজমিনে আড়ানী পৌরসভার মাস্টারপাড়া ও বাঘা পৌরসভার মিলিক বাঘা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভার অনুমতি ছাড়াই একাধিক ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।
আড়ানী পৌরসভার মাস্টারপাড়ায় একটি বিলাসবহুল ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। ওই পাড়ায় মুক্তি রানীর জমির পশ্চিম পাশে বাড়িটি নির্মাণ করছেন পিন্টু সরকার। নির্মাণকাজের দেখভাল করছেন তার ভাই সাইফুল ইসলাম। নির্মাণাধীন ওই ভবনের নকশার অনুমোদন রয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নকশা বহির্ভূত নির্মাণের কারণে সড়ক সরু হয়ে যাচ্ছে এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে জলাবদ্ধতা ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়ছে।
এ বিষয়ে আড়ানী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সোহের রানা বলেন, “গত এপ্রিল মাসে সভায় ১২টি বাড়ির নকশার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আরও পাঁচটি আবেদন জমা পড়েছে। অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযান চালানো হবে।”
বাঘা পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মুকুল হোসেন বলেন, “অনুমোদনহীন ভবনের মালিকদের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে শতাধিক ব্যক্তিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”