ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি Logo নগরকান্দায় ৯৫০ পিচ ইয়াবাসহ আটক ১
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুষ্টিয়ায় হারিয়ে যাওয়া দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা ঘিরে উৎসবের আমেজ

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় দীর্ঘদিন পর জমে উঠল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী (গাদন) খেলা দাঁড়িয়াবান্ধা। সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নে রশিদা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে দুইদিনব্যাপী এ খেলা দেখতে বল ফিল্ডে আসে হাজারো দর্শক। প্রতিযোগিতা ঘিরে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফাইনাল খেলার মধ্য দিয়ে জমজমাট এ উৎসবের সমাপ্তি হয়।

 

অনুষ্ঠানের শেষ দিনে শনিবার প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত আসন-৩০৬ এর সংসদ সদস্য মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন।

 

রাশিদা ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আইনজীবী শামিম উল হাসান অপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা উত্তম কুমার বিশ্বাস ও সভাপতি শাহারিয়া ইমন রুবেল।

 

দুই দিনের এ দাঁড়িয়াবান্ধা প্রতিযোগিতায় আটটি দল অংশগ্রহণ করে। হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার ব্যতিক্রমী এ খেলায় জয়-পরাজয়ের পাশাপাশি দর্শকদের উচ্ছ্বাস ও আনন্দে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ঝাউদিয়া বল ফিল্ড। হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যবাহী খেলাকে ঘিরে ঝাউদিয়া এলাকার তরুণদের মধ্যেও দেখা যায় ব্যাপক আগ্রহ।

 

প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলের জন্য পুরস্কার হিসেবে ছিল দুটি বড় খাসি। পুরস্কার ঘোষণা ঘিরেও দর্শকদের মধ্যে দেখা দেয় বাড়তি উত্তেজনা। খেলার আঙিনা ও এর আশপাশের বাসাবাড়ির ছাদেও ছিল নারী দর্শক।

 

ফাইনালে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো দল গাদন করতে না পারায় টসের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়। তবে দুই দলকেই বিজয়ী বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করেন সোনার বাংলা ক্লাব বনাম আজিত স্মৃতি সংসদ।

 

দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজনকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, নিয়মিতভাবে এ ধরনের খেলাধুলার আয়োজন হলে তরুণ সমাজ মাদক ও নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পাবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় হারিয়ে যাওয়া দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা ঘিরে উৎসবের আমেজ

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়ায় হারিয়ে যাওয়া দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা ঘিরে উৎসবের আমেজ

আপডেট টাইম : ২৪ মিনিট আগে
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার :

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়ায় দীর্ঘদিন পর জমে উঠল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী (গাদন) খেলা দাঁড়িয়াবান্ধা। সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নে রশিদা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে দুইদিনব্যাপী এ খেলা দেখতে বল ফিল্ডে আসে হাজারো দর্শক। প্রতিযোগিতা ঘিরে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফাইনাল খেলার মধ্য দিয়ে জমজমাট এ উৎসবের সমাপ্তি হয়।

 

অনুষ্ঠানের শেষ দিনে শনিবার প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত আসন-৩০৬ এর সংসদ সদস্য মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন।

 

রাশিদা ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আইনজীবী শামিম উল হাসান অপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা উত্তম কুমার বিশ্বাস ও সভাপতি শাহারিয়া ইমন রুবেল।

 

দুই দিনের এ দাঁড়িয়াবান্ধা প্রতিযোগিতায় আটটি দল অংশগ্রহণ করে। হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার ব্যতিক্রমী এ খেলায় জয়-পরাজয়ের পাশাপাশি দর্শকদের উচ্ছ্বাস ও আনন্দে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ঝাউদিয়া বল ফিল্ড। হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যবাহী খেলাকে ঘিরে ঝাউদিয়া এলাকার তরুণদের মধ্যেও দেখা যায় ব্যাপক আগ্রহ।

 

প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলের জন্য পুরস্কার হিসেবে ছিল দুটি বড় খাসি। পুরস্কার ঘোষণা ঘিরেও দর্শকদের মধ্যে দেখা দেয় বাড়তি উত্তেজনা। খেলার আঙিনা ও এর আশপাশের বাসাবাড়ির ছাদেও ছিল নারী দর্শক।

 

ফাইনালে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো দল গাদন করতে না পারায় টসের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়। তবে দুই দলকেই বিজয়ী বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করেন সোনার বাংলা ক্লাব বনাম আজিত স্মৃতি সংসদ।

 

দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজনকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, নিয়মিতভাবে এ ধরনের খেলাধুলার আয়োজন হলে তরুণ সমাজ মাদক ও নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পাবে।