ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ভালোবাসা আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভবঃ -নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

-পেট্রাপোল চেকপোষ্ট থেকে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে প্রবেশ করেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ও তাঁর সহধর্মিণী মিসেস মিনাল ত্রিবেদী। ছবি- বেনাপোল প্রতিনিধি সাজেদুর রহমান।

সাজেদুর রহমানঃ

 

আমাদের যা পপুলেশন আছে ১৪০ কোটি। তার সাথে ২০ কোটি এ্যাড করেছি। ১৬০ কোটি। আমি এখানে যা করতে চাই তা সব এক সঙ্গে হবে। আলাদা ভাবে ভাবছিনা। আমার মনে হচ্ছে না যে আমি বাংলাদেশে। দেখছেন না আমি হেটে চলে আসেছি। একই আকাশ একই বাতাস। আমরা মিলে মিশে ভিসার সমাধান
করবো। শুধু অভিন্ন সীমান্ত নেই, অভিন্ন স্বপ্নও আছে। আমাদের আকাশ এক, বাতাস এক, চ্যালেঞ্জও অনেক ক্ষেত্রে এক। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। ভালোবাসা আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।

 

আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু
ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের
মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। যারা আমাদের ভাই-বোন ও মা তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজ শুক্রবার বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারত থেকে
বাংলাদেশে প্রবেশের পর এসব কথা বলেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

বাংলাদেশের নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকাস্থ দূতাবাসে যোগ দিতে সড়ক পথে পেট্রাপোল স্থল বন্দর দিয়ে পায়ে হেটে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এই প্রথম নব নিযুক্ত কোন ভারতীয় হাই কমিশনার সড়ক পথে বাংলাদেশে আসলেন। শুক্রবার (১২ জুন) বেলা ১২ টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম সম্পন্ন শেষে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ও তাঁর সহধর্মিণী মিসেস মিনাল ত্রিবেদী
বাংলাদেশে এসেছেন।

এ সময় বেনাপোল স্থলবন্দরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পবন কুমার তুলসি দাস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি চিফ অব প্রটোকল
অফিসার আরিফ মাহমুদ উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। আগমনের পর ইমিগ্রেশন ও প্রটোকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তাদের কে নিয়ে গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা করেন।

 

গত এপ্রিলে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (৭৫) বাংলাদেশে নতুন হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত ৫৫ বছরে
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পাঠালেন দিল্লি। বাংলা ভাষী দীনেশ ত্রিবেদী শুধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা কাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কেই নন, সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতি সম্পর্কেও সম্যক অবহিত। কংগ্রেস, জনতা দল হয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এবং পরে বিজেপিতে যোগ দেওয়া দীনেশ ত্রিবেদীর রয়েছে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গেও দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন তিনি।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হরিপুরে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করলেন ইউএনও

error: Content is protected !!

ভালোবাসা আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভবঃ -নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

আপডেট টাইম : ৫ ঘন্টা আগে
সাজেদুর রহমান, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি :

সাজেদুর রহমানঃ

 

আমাদের যা পপুলেশন আছে ১৪০ কোটি। তার সাথে ২০ কোটি এ্যাড করেছি। ১৬০ কোটি। আমি এখানে যা করতে চাই তা সব এক সঙ্গে হবে। আলাদা ভাবে ভাবছিনা। আমার মনে হচ্ছে না যে আমি বাংলাদেশে। দেখছেন না আমি হেটে চলে আসেছি। একই আকাশ একই বাতাস। আমরা মিলে মিশে ভিসার সমাধান
করবো। শুধু অভিন্ন সীমান্ত নেই, অভিন্ন স্বপ্নও আছে। আমাদের আকাশ এক, বাতাস এক, চ্যালেঞ্জও অনেক ক্ষেত্রে এক। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। ভালোবাসা আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।

 

আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু
ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের
মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। যারা আমাদের ভাই-বোন ও মা তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজ শুক্রবার বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারত থেকে
বাংলাদেশে প্রবেশের পর এসব কথা বলেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

বাংলাদেশের নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকাস্থ দূতাবাসে যোগ দিতে সড়ক পথে পেট্রাপোল স্থল বন্দর দিয়ে পায়ে হেটে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এই প্রথম নব নিযুক্ত কোন ভারতীয় হাই কমিশনার সড়ক পথে বাংলাদেশে আসলেন। শুক্রবার (১২ জুন) বেলা ১২ টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম সম্পন্ন শেষে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ও তাঁর সহধর্মিণী মিসেস মিনাল ত্রিবেদী
বাংলাদেশে এসেছেন।

এ সময় বেনাপোল স্থলবন্দরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পবন কুমার তুলসি দাস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি চিফ অব প্রটোকল
অফিসার আরিফ মাহমুদ উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। আগমনের পর ইমিগ্রেশন ও প্রটোকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তাদের কে নিয়ে গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা করেন।

 

গত এপ্রিলে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (৭৫) বাংলাদেশে নতুন হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত ৫৫ বছরে
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পাঠালেন দিল্লি। বাংলা ভাষী দীনেশ ত্রিবেদী শুধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা কাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কেই নন, সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতি সম্পর্কেও সম্যক অবহিত। কংগ্রেস, জনতা দল হয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এবং পরে বিজেপিতে যোগ দেওয়া দীনেশ ত্রিবেদীর রয়েছে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গেও দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন তিনি।