দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
নড়াইল সদরের ১১নং বাঁশগ্রম ইউনিয়নে আলহাজ্জ খন্দকার মাহবুবুর রহমান ও আলহাজ্জ অধ্যাপিকা নাসরিন আরা খানম এর উদ্যোগে বজ্রপাত প্রতিরোধে ২ হাজার পিচ তালবীজ রোপণ, ও এলাকার জনগণের মধ্যে ২৭৫ পিচ ফলের চারা বিতরণের উদ্বোধন হয়েছে। আজ দুপুরে নড়াইলের কামার প্রতাপ টু টাবরা সড়কের পাশে এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ১১নং বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম। জানা গেছে এ সড়কের পাশে তালবীজ রোপণ করা হবে নড়াইল সদরের বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের কামাল প্রতাপ গ্রাম থেকে টাবরা নবকৃষ্ণ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত। দুই কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশ দিয়ে ২ হাজার পিচ তালবীজ রোপণ করা হবে এবং এলাকায় জনগণের মাঝে ফলের চারা বিতরণ করা হবে। ফলের চারার মধ্যে রয়েছে আমরূপালি, হাড়ি ভাঙ্গা, হিমসাগর, কাঠাল, আমড়া, ও পেয়ারা। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন খন্দকার বরকত আলী, খন্দকার মফিজ উদ্দিন, খন্দকার শিহাব উদ্দিন, শেখ আফছার, কাজী ফরিদ, খন্দকার আরিফ, সৈয়দ ফুল সহ আরো অনেকে। বক্তব্যে প্রধান অতিথি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন বর্তমানে সারাদেশে বজ্রপাতে অনেক লোক মারা যাচ্ছে। আমরা জানি আমাদের বাড়ির আশেপাশে রাস্তার পাশে যদি বড় বড় তালগাছ থাকতো তাহলে এই বজ্রপাত প্রতিরোধ হয়ে যেত। আরও পড়ুনঃ মাগুরায় বাংলাদেশ স্কাউটস এর ৯ম বার্ষিক (ত্রৈ-বার্ষিক) সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সে কারণে যে দুই ব্যক্তি তালগাছ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছেন ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
নড়াইল সদরের ১১নং বাঁশগ্রম ইউনিয়নে আলহাজ্জ খন্দকার মাহবুবুর রহমান ও আলহাজ্জ অধ্যাপিকা নাসরিন আরা খানম এর উদ্যোগে বজ্রপাত প্রতিরোধে ২ হাজার পিচ তালবীজ রোপণ, ও এলাকার জনগণের মধ্যে ২৭৫ পিচ ফলের চারা বিতরণের উদ্বোধন হয়েছে।
আজ দুপুরে নড়াইলের কামার প্রতাপ টু টাবরা সড়কের পাশে এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ১১নং বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম।
জানা গেছে এ সড়কের পাশে তালবীজ রোপণ করা হবে নড়াইল সদরের বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের কামাল প্রতাপ গ্রাম থেকে টাবরা নবকৃষ্ণ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত। দুই কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশ দিয়ে ২ হাজার পিচ তালবীজ রোপণ করা হবে এবং এলাকায় জনগণের মাঝে ফলের চারা বিতরণ করা হবে।
ফলের চারার মধ্যে রয়েছে আমরূপালি, হাড়ি ভাঙ্গা, হিমসাগর, কাঠাল, আমড়া, ও পেয়ারা।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন খন্দকার বরকত আলী, খন্দকার মফিজ উদ্দিন, খন্দকার শিহাব উদ্দিন, শেখ আফছার, কাজী ফরিদ, খন্দকার আরিফ, সৈয়দ ফুল সহ আরো অনেকে।
বক্তব্যে প্রধান অতিথি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন বর্তমানে সারাদেশে বজ্রপাতে অনেক লোক মারা যাচ্ছে। আমরা জানি আমাদের বাড়ির আশেপাশে রাস্তার পাশে যদি বড় বড় তালগাছ থাকতো তাহলে এই বজ্রপাত প্রতিরোধ হয়ে যেত।