দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
১১৮
বার পঠিত
বগুড়া-০৭: জামায়াত প্রার্থীর পোস্টারে উচ্ছ্বাস, নীরব নির্বাচন কমিশন
মোঃ সালমান কবির হৃদয়: নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী পোস্টার লাগানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলেও বগুড়া-০৭ (গাবতলী–শাজাহানপুর) আসনে তা দেখা যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী গোলাম রাব্বানী প্রকাশ্যে ও দেদারসে পোস্টার লাগিয়ে চলেছেন, যা স্পষ্টভাবে আচরণবিধির লঙ্ঘন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার, দেয়াল ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে জামায়াত প্রার্থীর পোস্টার চোখে পড়ছে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য কি না। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই নীরবতায় জনমনে ক্ষোভ ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এই বিষয়ে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু ও ন্যায্য হবে এ জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। আচরণবিধি লঙ্ঘন প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা নির্বাচন কমিশনের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
মোঃ সালমান কবির হৃদয়:
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী পোস্টার লাগানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলেও বগুড়া-০৭ (গাবতলী–শাজাহানপুর) আসনে তা দেখা যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী গোলাম রাব্বানী প্রকাশ্যে ও দেদারসে পোস্টার লাগিয়ে চলেছেন, যা স্পষ্টভাবে আচরণবিধির লঙ্ঘন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার, দেয়াল ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে জামায়াত প্রার্থীর পোস্টার চোখে পড়ছে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য কি না।
অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই নীরবতায় জনমনে ক্ষোভ ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এই বিষয়ে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু ও ন্যায্য হবে এ জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। আচরণবিধি লঙ্ঘন প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা নির্বাচন কমিশনের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।