ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ধান ছাঁটাইকরণ বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়

আলিফ হোসেনঃ

 

রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার (ডিসিফুড) বিরুদ্ধে ধান ছাঁটাইকরণের বরাদ্দ বিভাজনে অনিয়মের অভিযোগ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ,মনগড়া ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত দাবি করে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা খাদ্য বিভাগ।

 

গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, ২০২৬ বোরো মৌসুমে বোরো ধান ছাঁটাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা চালকল মিলকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা। কিন্তু অদৃশ্য কারণে জেলার অটো চালকল মিলকে ধান ছাঁটাইয়ের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। কিন্ত্ত এই অভিযোগ সঠিক নয় নীতিমালায় অটো চালকলকে প্রাধান্য দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। ফলে যেখানে অটো চালকল নাই সেখানকার ধান অন্য এলাকার অটো চালকল থেকে ছাঁটাই করানো হয়।

 

প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে ধান ছাঁটাইকরণের বরাদ্দ পেতে প্রত্যেক মিল মালিককে আনুঃপাতিক হারে ঘুষ দিতে হয়েছে। যা সঠিক নয় সম্পুর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। কোনো গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে এসব অপপ্রচার করছে।

 

চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় ৭ হাজার ৩০ দশমিক ৮০০ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতমধ্যে যা নীতিমালা অনুসরণ করে ছাঁটাই করানো হচ্ছে। এখানে অবৈধ লেনদেনের কোনো সুযোগ নাই, কেউ প্রমাণ করতেও পারবে না।

 

এদিকে চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে অফিসের প্রধান সহকারী(বড় বাবু) ও খাদ্য পরিদর্শক দীর্ঘদিন যাবত একই কর্মস্থলে রয়েছেন বলে যা দাবি করা হয়েছে যা সঠিক নয়, এছাড়াও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি এটা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হাতে।

 

এছাড়াও সংবাদে বলা হয়েছে, একটি চক্র গুদাম থেকে ভালো মানের ধান ছাঁটাইয়ের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।কিন্তু তার পরিবর্তে বাহির থেকে হাইব্রিড নিম্মমানের মোটা ও বিভিন্ন প্রকল্পের পুরাতন চাল দিচ্ছে এটাও ভিত্তিহীন ও মনগড়া, কারণ গুদামে চাল ঢোকানোর আগে প্রতিটি বস্তার চাল পরীক্ষা যাচাই করা হয়।

 

অন্যদিকে ডিবি হারুনের মতো ভাতের হোটেল চালুর কথা বলা হয়েছে যা সত্যি নয় ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে দুপুরে খাবারের কোনো ব্যবস্থা নাই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,একটি বিশেষ গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে খাদ্য বিভাগ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে একের পর এক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত অপপ্রচার করছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্ত এলাকায় ইয়াবা-গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

error: Content is protected !!

ধান ছাঁটাইকরণ বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়

আপডেট টাইম : ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আলিফ হোসেনঃ

 

রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার (ডিসিফুড) বিরুদ্ধে ধান ছাঁটাইকরণের বরাদ্দ বিভাজনে অনিয়মের অভিযোগ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ,মনগড়া ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত দাবি করে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা খাদ্য বিভাগ।

 

গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, ২০২৬ বোরো মৌসুমে বোরো ধান ছাঁটাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা চালকল মিলকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা। কিন্তু অদৃশ্য কারণে জেলার অটো চালকল মিলকে ধান ছাঁটাইয়ের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। কিন্ত্ত এই অভিযোগ সঠিক নয় নীতিমালায় অটো চালকলকে প্রাধান্য দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। ফলে যেখানে অটো চালকল নাই সেখানকার ধান অন্য এলাকার অটো চালকল থেকে ছাঁটাই করানো হয়।

 

প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে ধান ছাঁটাইকরণের বরাদ্দ পেতে প্রত্যেক মিল মালিককে আনুঃপাতিক হারে ঘুষ দিতে হয়েছে। যা সঠিক নয় সম্পুর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। কোনো গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে এসব অপপ্রচার করছে।

 

চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় ৭ হাজার ৩০ দশমিক ৮০০ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতমধ্যে যা নীতিমালা অনুসরণ করে ছাঁটাই করানো হচ্ছে। এখানে অবৈধ লেনদেনের কোনো সুযোগ নাই, কেউ প্রমাণ করতেও পারবে না।

 

এদিকে চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে অফিসের প্রধান সহকারী(বড় বাবু) ও খাদ্য পরিদর্শক দীর্ঘদিন যাবত একই কর্মস্থলে রয়েছেন বলে যা দাবি করা হয়েছে যা সঠিক নয়, এছাড়াও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি এটা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হাতে।

 

এছাড়াও সংবাদে বলা হয়েছে, একটি চক্র গুদাম থেকে ভালো মানের ধান ছাঁটাইয়ের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।কিন্তু তার পরিবর্তে বাহির থেকে হাইব্রিড নিম্মমানের মোটা ও বিভিন্ন প্রকল্পের পুরাতন চাল দিচ্ছে এটাও ভিত্তিহীন ও মনগড়া, কারণ গুদামে চাল ঢোকানোর আগে প্রতিটি বস্তার চাল পরীক্ষা যাচাই করা হয়।

 

অন্যদিকে ডিবি হারুনের মতো ভাতের হোটেল চালুর কথা বলা হয়েছে যা সত্যি নয় ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে দুপুরে খাবারের কোনো ব্যবস্থা নাই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,একটি বিশেষ গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে খাদ্য বিভাগ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে একের পর এক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত অপপ্রচার করছে।