ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

দৌলতদিয়ায় দুর্ঘটনাঃ খোকসায় দুই শিশু ও এক তরুণের মরদেহ পৌঁছাল আহাজারি

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

দৌলতদিয়ায় পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাস থেকে উদ্ধার দুই শিশু ও এক যুবকের মরদেহ খোকসার গ্রামের বাড়িতে দাফন ও সৎকার হয়েছে। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাদের স্বজন ও প্রতিবেশিরা।

 

বৃহস্পতিবার২৬শে মার্চ ভোরে কুষ্টিয়ার খোকসার সন্তোষপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইসরাফিলের (৩) মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। প্রায় একই সময়ে শোমসপুর গ্রামের বাড়িতে যায় নিহত আয়শা সিদ্দিকার (১৩) মরদেহ। এছাড়া, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে একই দুর্ঘটনায় নিহত রাজিব বিশ্বাসের (২৬) মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স তার গ্রামের বাড়ি খাগড়বাড়িয়াতে পৌঁছায়।

 

একে একে তিনটি মরদেহ পৌঁছানোর খবরে শোকাহত মানুষের ঢল নামে। সকাল ৯টায় উপজেলার শোমসপুরে পারিবারিক কবরস্থানে বড় চাচার পাশে দাফন করা হয় আয়শা সিদ্দিকাকে। তার বাবা গিয়াস উদ্দিন জানান, চোখের সামনে তিনি মেয়ে ও স্ত্রীকে ডুবে যেতে দেখেন। এক পর্যায়ে স্ত্রী ভেসে উঠলেও মেয়েকে আর উদ্ধার করতে পারেননি। পরে রাতে ডুবুরিরা মৃত আয়শাকে উদ্ধার করে। রাতেই রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল থেকে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

 

তিন বছরের ইসরাফিলের মরদেহ সকালে সন্তোষপুরে গ্রামে পৌঁছায়। এরপর থেকে শিশুটির স্বজনরা আহাজারি করছেন। পরে তাকে সিংঘড়িয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

 

রাজিবের মরদেহ উদ্ধার হয় ভোরের দিকে। এরপর তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রাজিবের মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাগড়বাড়িয়া গ্রামে পৌঁছায়। পরে দুপুরের দিকে স্থানীয় শৈলডাঙ্গী মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য হয়।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পল্লীর শিশুদের জন্য আশীর্বাদ ডা. আব্দুর রহিমের শিফা মেডিকেল সেন্টার

error: Content is protected !!

দৌলতদিয়ায় দুর্ঘটনাঃ খোকসায় দুই শিশু ও এক তরুণের মরদেহ পৌঁছাল আহাজারি

আপডেট টাইম : ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার :

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

দৌলতদিয়ায় পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাস থেকে উদ্ধার দুই শিশু ও এক যুবকের মরদেহ খোকসার গ্রামের বাড়িতে দাফন ও সৎকার হয়েছে। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাদের স্বজন ও প্রতিবেশিরা।

 

বৃহস্পতিবার২৬শে মার্চ ভোরে কুষ্টিয়ার খোকসার সন্তোষপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইসরাফিলের (৩) মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। প্রায় একই সময়ে শোমসপুর গ্রামের বাড়িতে যায় নিহত আয়শা সিদ্দিকার (১৩) মরদেহ। এছাড়া, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে একই দুর্ঘটনায় নিহত রাজিব বিশ্বাসের (২৬) মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স তার গ্রামের বাড়ি খাগড়বাড়িয়াতে পৌঁছায়।

 

একে একে তিনটি মরদেহ পৌঁছানোর খবরে শোকাহত মানুষের ঢল নামে। সকাল ৯টায় উপজেলার শোমসপুরে পারিবারিক কবরস্থানে বড় চাচার পাশে দাফন করা হয় আয়শা সিদ্দিকাকে। তার বাবা গিয়াস উদ্দিন জানান, চোখের সামনে তিনি মেয়ে ও স্ত্রীকে ডুবে যেতে দেখেন। এক পর্যায়ে স্ত্রী ভেসে উঠলেও মেয়েকে আর উদ্ধার করতে পারেননি। পরে রাতে ডুবুরিরা মৃত আয়শাকে উদ্ধার করে। রাতেই রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল থেকে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

 

তিন বছরের ইসরাফিলের মরদেহ সকালে সন্তোষপুরে গ্রামে পৌঁছায়। এরপর থেকে শিশুটির স্বজনরা আহাজারি করছেন। পরে তাকে সিংঘড়িয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

 

রাজিবের মরদেহ উদ্ধার হয় ভোরের দিকে। এরপর তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রাজিবের মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাগড়বাড়িয়া গ্রামে পৌঁছায়। পরে দুপুরের দিকে স্থানীয় শৈলডাঙ্গী মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য হয়।