আসলাম বেপারী:
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের চর শালেপুর এলাকা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া গরুবাহী একটি ট্রলার পদ্মা নদীতে ডুবে গেছে। এ ঘটনায় আইয়ুব শেখ নামে এক ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ট্রলারে থাকা অধিকাংশ গরুও নদীতে তলিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২৫ মে) বেলা ১১টার দিকে ট্রলারটি চর শালেপুর এলাকা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে পদ্মা সেতুর ১৫ নম্বর পিলারের প্রায় দুই কিলোমিটার আগে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি নদীতে ডুবে যায়।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিক্রির জন্য ট্রলারটিতে ৩১টি গরুসহ মোট ২৪ জন ব্যবসায়ী ও শ্রমিক ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর এখন পর্যন্ত পাঁচটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ২৬টি গরু নদীতে তলিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ট্রলারের মাঝি ছিলেন ওকেল দেওয়ান। তিনি আব্দুল মালেক দেওয়ানের ছেলে। গরু ব্যবসায়ীদের মধ্যে শেখ আবুল ১০টি গরু নিয়ে যাচ্ছিলেন, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা। এছাড়া শেখ আযম, লোকমান খান এবং লাবলু খান-ও গরু নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন।
ক্ষতিগ্রস্তদের স্বজন শামীম রেজা দাবি করেন, এ ঘটনায় প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও সংশ্লিষ্টরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তবে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আইয়ুব শেখ নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি আব্দুল হক-এর ছেলে। তার সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে চরহরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির বলেন, “গরু বিক্রির উদ্দেশ্যে তারা ঢাকায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পদ্মা সেতুর একটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছেন এবং উদ্ধার কাজ চলছে।”
ঘটনার পর এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি 
আসলাম বেপারী, নিজস্ব প্রতিনিধি, চরভদ্রাশন, ফরিদপুর 




















