ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ঢাকা বিমানবন্দরে ১৩০০ গ্রাম সোনাসহ ০১ জনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ

এম. এ সালামঃ

 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৩০০ গ্রাম স্বর্ণসহ নূরুল আলম (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। অদ্য ২২/১১/২০২৫ খ্রি. দুপুর ০২.২০ ঘটিকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিং এর নিচ তলায় এয়ারপোর্ট এপিবিএন এর অভিযান পরিচালনাকালে নূরুল আলম (৩০) নামীয় একজন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সু-কৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সদস্যরা তাকে আটক করে।

 

আটককৃত ব্যক্তিকে এপিবিএন অফিসে নিয়ে এসে শরীর তল্লাশি করলে তার গলায় ঝুলানো হজ্জ্বে ব্যবহৃত কাপড়ের ব্যাগ, পরিহিত জুব্বা এবং পায়জামার ডান পকেট থেকে ১৩০০ (এক হাজার তিনশত) গ্রাম স্বর্ণালংকার এবং ১৩,৯৭০ (তেরো হাজার নয়শত সত্তর) সৌদি রিয়াল উদ্ধার করে জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয়। স্বর্ণালংকারগুলোর মান ২১, ২২ এবং ২৪ ক্যারেট।

 

ধৃত আসামী নূরুল আলম (৩০) কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারগুলো বিভিন্ন দেশ হতে অজ্ঞাতনামা যাত্রীর মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনয়ন করে। আটককৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেট এর সাথে জড়িত এবং রিসিভার হিসেবে কাজ করে আসছে বলে জানা যায়।

 

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরে এয়ারপোর্ট এপিবিএন কর্তৃক এ পর্যন্ত মোট স্বর্ণ উদ্ধারের পরিমাণ ২৮ কেজি ৫০৮.৩৮ গ্রাম (২৮,৫০৮.৩৮ গ্রাম)। ধৃত নূরুল আলম (৩০) এর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন আছে। ধৃত আসামী অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজসে অবৈধ পন্থায় সরকারকে রাজস্ব কর ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ আনয়ন করে নিজ হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ২৫/বি এর ১ (বি) ধারায় অপরাধ করেছে।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, “বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আমরা নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছি। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানের তৎপরতা রোধে এপিবিএন সবসময়ই তৎপর। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোন চোরাচালান রোধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গোমস্তাপুর সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ

error: Content is protected !!

ঢাকা বিমানবন্দরে ১৩০০ গ্রাম সোনাসহ ০১ জনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ

আপডেট টাইম : ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
এম. এ সালাম, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :

এম. এ সালামঃ

 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৩০০ গ্রাম স্বর্ণসহ নূরুল আলম (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। অদ্য ২২/১১/২০২৫ খ্রি. দুপুর ০২.২০ ঘটিকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিং এর নিচ তলায় এয়ারপোর্ট এপিবিএন এর অভিযান পরিচালনাকালে নূরুল আলম (৩০) নামীয় একজন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সু-কৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সদস্যরা তাকে আটক করে।

 

আটককৃত ব্যক্তিকে এপিবিএন অফিসে নিয়ে এসে শরীর তল্লাশি করলে তার গলায় ঝুলানো হজ্জ্বে ব্যবহৃত কাপড়ের ব্যাগ, পরিহিত জুব্বা এবং পায়জামার ডান পকেট থেকে ১৩০০ (এক হাজার তিনশত) গ্রাম স্বর্ণালংকার এবং ১৩,৯৭০ (তেরো হাজার নয়শত সত্তর) সৌদি রিয়াল উদ্ধার করে জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয়। স্বর্ণালংকারগুলোর মান ২১, ২২ এবং ২৪ ক্যারেট।

 

ধৃত আসামী নূরুল আলম (৩০) কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারগুলো বিভিন্ন দেশ হতে অজ্ঞাতনামা যাত্রীর মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনয়ন করে। আটককৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেট এর সাথে জড়িত এবং রিসিভার হিসেবে কাজ করে আসছে বলে জানা যায়।

 

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরে এয়ারপোর্ট এপিবিএন কর্তৃক এ পর্যন্ত মোট স্বর্ণ উদ্ধারের পরিমাণ ২৮ কেজি ৫০৮.৩৮ গ্রাম (২৮,৫০৮.৩৮ গ্রাম)। ধৃত নূরুল আলম (৩০) এর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন আছে। ধৃত আসামী অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজসে অবৈধ পন্থায় সরকারকে রাজস্ব কর ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ আনয়ন করে নিজ হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ২৫/বি এর ১ (বি) ধারায় অপরাধ করেছে।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, “বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আমরা নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছি। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানের তৎপরতা রোধে এপিবিএন সবসময়ই তৎপর। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোন চোরাচালান রোধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”