এস. এম সালমান কবির হৃদয়ঃ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার তরুণ ছাত্রনেতা মো. বিপ্লব মিয়া ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকাবাসীর কাছে একটি পরিচিত নাম হয়ে উঠেছেন। রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং গাবতলী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির আদর্শ ধারণ করে শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্থপতি, আধুনিক কৃষি বিপ্লবের মহানায়ক, বীর উত্তম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও দেশপ্রেম এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় রাজনীতি করে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এই তরুণ নেতা।
মো. বিপ্লব মিয়ার বিশ্বাস, জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের জন্য কাজ করা সম্ভব। ইচ্ছাশক্তি, দেশপ্রেম এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকলে যে কোনো অবস্থান থেকেই এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখা যায়। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি রামেশ্বরপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন।
তার দাবি অনুযায়ী, তার উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় জাগুলী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, জাগুলী ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে ১০ লাখ টাকা, জাগুলী পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নে ৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা, জাগুলী গোলাপাড়া বায়তুল জারিয়া জামে মসজিদের উন্নয়নে ৭ লাখ ৩২ হাজার টাকা, জাগুলী নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা, জাগুলী দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নে ৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, জাগুলী উত্তরপাড়া বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের উন্নয়নে ৩ লাখ ৮৯ হাজার টাকা, উত্তর মাঝপাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৩ লাখ টাকা, রামেশ্বরপুর সরকারপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নসিপুর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫ লাখ ৫১ হাজার টাকা বরাদ্দ এনে বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
মো. বিপ্লব মিয়া বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি মানে মানুষের কল্যাণে কাজ করা। পদ-পদবী বড় বিষয় নয়, মানুষের ভালোবাসা ও দোয়াই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতেও শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, রাস্তা-ঘাটসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই।” স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সময়ে যেখানে অনেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে উন্নয়ন কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ শোনা যায়, সেখানে কোনো জনপ্রতিনিধি না হয়েও মো. বিপ্লব মিয়া উন্নয়নের জন্য কাজ করে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তারা আশা করেন, ভবিষ্যতেও তিনি এলাকার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়ে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখবেন।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি 
এস. এম সালমান কবির হৃদয়, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া 



















