ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুষ্টিয়ায় ১৮০০ চক্ষুরোগীকে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে ১৮০০ রোগীকে নিখরচায় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৬০ জনকে চোখের ছানি অপারেশনের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিণায়নপুরে দোয়ারকা দাস আগারওয়ালা মহিলা কলেজে দোয়ারকা দাস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশন এবং বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী এ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আব্দালপুর এলাকার ষাটোর্ধ্ব আছিয়া বেগম বলেন, ছয়/সাত মাস ধরে চোখে ঝাপসা দেখি। এখন তো দূরের মানুষ দেখি কিন্তু কে তা চিনতে পারিনা। নাতি-নাতনিদের চিনতে হয় মুখের কথা শুনে। লোকে বলে ভালো ডাক্তার দিয়ে চোখ দেখাতে, তবে টাকা কোথায় পাবো? বড় ডাক্তারকে চোখ দেখাতে সে মেলা টাকা লাগে। গরিব মানুষ ঢাকায় গিয়ে চোখ দেখাবো এমনটা স্বপ্নেও আসে না।

গ্রামের ডাক্তারদের কাছ থেকে ড্রপ কিনি চোখে দেই, একটু ভালো দেখি আবার আগের মতো হয়ে যায়। ভেবেই নিয়েছিলাম যে এভাবেই দিন কাটাতে হবে। পরিষ্কার কিছু আর হয়তো দেখা হবে না। কারণ দুনিয়া দেখার সম্বলই চোখ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শুনেছি এই কলেজে নাকি ঢাকা থেকে বড় ডাক্তাররা আসবে তাই সকাল থেকে এসেছি এখানে চোখ দেখাবো। টাকা নেয় না, আবার অপারেশনও নাকি এমনি করে দেয়।

আছিয়া বেগম বলেন, চোখের ডাক্তাররা মেলা টাকা নেয়। কিন্তু এখানে ফ্রি চোখ দেখে, ওষুধ দেয়, চশমা লাগলে চশমা দেয়, অপারেশনও করে দেয় তাই এখানে এসেছি।

দিনব্যাপী এ চক্ষু ক্যাম্পে বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও ফ্যাকো অ্যান্ড রেটিনা স্পেশালিস্ট প্রফেসর ডা. মো. সালেক আহমেদের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম চিকিৎসাসেবা দেন। এর মধ্যে ছিলেন ডা. মুত্তাকিন মনির, ডা. জেরিন পারভীন, ডা. মজুমদার গোলাম রাব্বি। এছাড়াও ৪জন অপট্রোমিটেক ও ৬জন মেডিকেল সাপোর্ট।

বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও ফ্যাকো অ্যান্ড রেটিনা স্পেশালিস্ট প্রফেসর ডা. মো. সালেক আহমেদ বলেন, এ চক্ষু ক্যাম্পের মাধ্যমে আমরা চক্ষু রোগীদের নিখরচায় ব্যবস্থাপনা, চশমা ও ওষুধ দিয়েছি। সেই সঙ্গে যেসব রোগীদের চোখ অপারেশন করা প্রয়োজন তাদের নির্বাচন করেছি।

দিনব্যাপী চলা এ ক্যাম্পে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন দোয়ারকা দাস আগারওয়ালা মহিলা কলেজের ১২০জন শিক্ষার্থীসহ দোয়ারকা দাস ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদস্যরা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ থেকে বিশ্বমঞ্চে: এডুকেশন কানেক্ট গ্লোবালের পথচলা

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়ায় ১৮০০ চক্ষুরোগীকে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

আপডেট টাইম : ১১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
ইসমাইল হোসেন বাবু, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি :

বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে ১৮০০ রোগীকে নিখরচায় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৬০ জনকে চোখের ছানি অপারেশনের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিণায়নপুরে দোয়ারকা দাস আগারওয়ালা মহিলা কলেজে দোয়ারকা দাস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশন এবং বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী এ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আব্দালপুর এলাকার ষাটোর্ধ্ব আছিয়া বেগম বলেন, ছয়/সাত মাস ধরে চোখে ঝাপসা দেখি। এখন তো দূরের মানুষ দেখি কিন্তু কে তা চিনতে পারিনা। নাতি-নাতনিদের চিনতে হয় মুখের কথা শুনে। লোকে বলে ভালো ডাক্তার দিয়ে চোখ দেখাতে, তবে টাকা কোথায় পাবো? বড় ডাক্তারকে চোখ দেখাতে সে মেলা টাকা লাগে। গরিব মানুষ ঢাকায় গিয়ে চোখ দেখাবো এমনটা স্বপ্নেও আসে না।

গ্রামের ডাক্তারদের কাছ থেকে ড্রপ কিনি চোখে দেই, একটু ভালো দেখি আবার আগের মতো হয়ে যায়। ভেবেই নিয়েছিলাম যে এভাবেই দিন কাটাতে হবে। পরিষ্কার কিছু আর হয়তো দেখা হবে না। কারণ দুনিয়া দেখার সম্বলই চোখ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শুনেছি এই কলেজে নাকি ঢাকা থেকে বড় ডাক্তাররা আসবে তাই সকাল থেকে এসেছি এখানে চোখ দেখাবো। টাকা নেয় না, আবার অপারেশনও নাকি এমনি করে দেয়।

আছিয়া বেগম বলেন, চোখের ডাক্তাররা মেলা টাকা নেয়। কিন্তু এখানে ফ্রি চোখ দেখে, ওষুধ দেয়, চশমা লাগলে চশমা দেয়, অপারেশনও করে দেয় তাই এখানে এসেছি।

দিনব্যাপী এ চক্ষু ক্যাম্পে বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও ফ্যাকো অ্যান্ড রেটিনা স্পেশালিস্ট প্রফেসর ডা. মো. সালেক আহমেদের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম চিকিৎসাসেবা দেন। এর মধ্যে ছিলেন ডা. মুত্তাকিন মনির, ডা. জেরিন পারভীন, ডা. মজুমদার গোলাম রাব্বি। এছাড়াও ৪জন অপট্রোমিটেক ও ৬জন মেডিকেল সাপোর্ট।

বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও ফ্যাকো অ্যান্ড রেটিনা স্পেশালিস্ট প্রফেসর ডা. মো. সালেক আহমেদ বলেন, এ চক্ষু ক্যাম্পের মাধ্যমে আমরা চক্ষু রোগীদের নিখরচায় ব্যবস্থাপনা, চশমা ও ওষুধ দিয়েছি। সেই সঙ্গে যেসব রোগীদের চোখ অপারেশন করা প্রয়োজন তাদের নির্বাচন করেছি।

দিনব্যাপী চলা এ ক্যাম্পে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন দোয়ারকা দাস আগারওয়ালা মহিলা কলেজের ১২০জন শিক্ষার্থীসহ দোয়ারকা দাস ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সদস্যরা।