কাজল ইসলামঃ
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে কুড়িগ্রাম জেলাসহ বাংলাদেশের বেশ কিছু জায়গায় ১২ মে থেকে ২১ মে পযর্ন্ত হতে পারে ভারি বৃষ্টি। সে তথ্য অনুপাতে কুড়িগ্রাম জেলা জুড়ে ১৩ মে রাত ১ টা থেকে নেমে আসে ভারি বৃষ্টি। যার শেষ হয় পরের দিন বেলা ১২.৩০ টার পর। দীর্ঘক্ষণ টানা বৃষ্টিপাতের ফলে জেলা জুড়ে দেখা দিয়েছে সাধারণ জনগণের দুর্গতি।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভাষ্যমতে গত ২৪ ঘন্টায় কুড়িগ্রামে ১৮৬ মি.মি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। যা এ বছরের সর্বচ্ছ রেকর্ড হিসাবে তালিকায় আসে।
টানা বৃষ্টিপাতের ফলে জনজীবনের বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে অর্থনীতি এবং কৃষিখাতে। অবিরাম বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে শহর গ্রামের রাস্তা – ঘাট এবং কৃষি জমিতে। এর ফলে চলাফেরায় কষ্ট পোহাতে হচ্ছে জনগণের। এছাড়াও কৃষি জমি গুলোতে পানি জমে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে ধান কাটা এবং শোকানোর কাজ।
মুষলধারে বৃষ্টির ফলে দিন মজুরি এবং কৃষিসহ নানান সমস্যার মুখী হয়েছে কুড়িগ্রাম জেলার জনগণ। কর্ম বন্ধের পাশাপাশি শহরে বা গ্রামে পানির জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার কারণে ঘর থেকে বাহির হতে পাচ্ছে না অনেকে। এ যেন এক বন্যার পূর্বাভাস।
কিন্তু অবাক করার বিষয় রাত ১ টা থেকে বৃষ্টি হলেও তার শেষ মেলে দুপুর ১২.৩০ পর। এবং সেই সাথে সূর্যের দেখা মিলে দুপুর ২ টায়। এতেও জনসাধারণ সন্তুষ্টি নয়।
খেটে খাওয়া মানুষ এবং দিনমজুরি মানুষ গুলো বলছেন, সময় মত বৃষ্টি বন্ধ না হয়ে অসময়ে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে রোদ উঠছে। কিন্তু কর্মে ফেরার সময় এখন নয়। বেলা শেষে কে কাজে নিবে বা কে সঠিক মূল্য দিবে? মালিক পক্ষ যে অর্থ দিবে সেটার জন্য অনেক কষ্ট করতে হবে। তাই অসময়ে বৃষ্টি থেমেও কোন সুফল হয়নি দিনমজুরি মানুষদের।

মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে কিশোরীর মৃত্যু 
কাজল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি 




















