দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
কাহালু উপজেলার বাগৈল-পিড়াপাট মামলার ১৪ আসামি কারামুক্ত
এস. এম সালমান হৃদয়ঃ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগৈল ও পিড়াপাট এলাকার একটি মামলায় আটক ১৪ জন আসামি কারামুক্ত হয়েছেন। এদিন সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বগুড়া জেল গেটে উপস্থিত থেকে সাবেক সংসদ সদস্য ও বগুড়া-৪ (কাহালু–নন্দীগ্রাম) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেন নিজ হাতে কারামুক্তদের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন এবং তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পাঠিয়ে দেন। জানা যায়, কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগৈল ও পিড়াপাট এলাকার ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়ের একটি মামলায় মোট ১৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ১১ জন বিএনপি এবং ৪ জন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেনের উদ্যোগে সকলের জন্য সমানভাবে জামিনের ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, “আমি কোথাও কোনো বৈষম্য করিনি। কে কোন দলের লোক সেটাও দেখিনি। আমি দেখেছি আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই সবার আইনি সহায়তার ব্যবস্থা করেছি।” তিনি আরও বলেন, “ইনশাআল্লাহ, আমি সবসময় মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকব।” কারামুক্তির খবরে বগুড়া জেল গেটে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তারা এই উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এস. এম সালমান হৃদয়ঃ
২০ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগৈল ও পিড়াপাট এলাকার একটি মামলায় আটক ১৪ জন আসামি কারামুক্ত হয়েছেন। এদিন সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বগুড়া জেল গেটে উপস্থিত থেকে সাবেক সংসদ সদস্য ও বগুড়া-৪ (কাহালু–নন্দীগ্রাম) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেন নিজ হাতে কারামুক্তদের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন এবং তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পাঠিয়ে দেন।
জানা যায়, কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগৈল ও পিড়াপাট এলাকার ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়ের একটি মামলায় মোট ১৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ১১ জন বিএনপি এবং ৪ জন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেনের উদ্যোগে সকলের জন্য সমানভাবে জামিনের ব্যবস্থা করা হয়।
এ বিষয়ে আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, “আমি কোথাও কোনো বৈষম্য করিনি। কে কোন দলের লোক সেটাও দেখিনি। আমি দেখেছি আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই সবার আইনি সহায়তার ব্যবস্থা করেছি।” তিনি আরও বলেন, “ইনশাআল্লাহ, আমি সবসময় মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকব।”
কারামুক্তির খবরে বগুড়া জেল গেটে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তারা এই উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।