হুমায়ন আহমেদ:
চুয়াডাঙ্গা জেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খোরদ গ্রামে ইউডিএফ প্রকল্পের আওতায় রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অনিয়মের ছবি তুলতে গেলে স্থানীয় দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫২৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি রাস্তা নির্মাণে প্রায় ৮ লাখ টাকার টেন্ডার পায় জাহিদুল এন্টারপ্রাইজ। কাজ শুরুর পর থেকেই ২ ও ৩ নম্বর ইট ব্যবহার করে হেরিং কাজ করার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও ছবি ধারণ করতে গেলে স্থানীয় দৈনিক খাস খবর পত্রিকার সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম চঞ্চল এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল চ্যানেল ডিও–এর সাংবাদিক শামীম রেজাকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিম্নমানের ইট ব্যবহারের ছবি তুলতে গেলে ঠিকাদার জাহিদুল ও তার আত্মীয়স্বজনরা সাংবাদিকদের হুমকি-ধামকি দেন। একপর্যায়ে স্থানীয়দের সহায়তায় সাংবাদিকরা ছবি তুলতে সক্ষম হলে তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ছবি মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, ঠিকাদার পক্ষ প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। ফলে অনিয়ম দেখেও অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তাদের তথ্য সংগ্রহে সরাসরি বাধা দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ও শারীরিক লাঞ্ছনার ঘটনায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান (সোহান) বলেন, “দুই নম্বর ইট ব্যবহারের বিষয়টি দেখেছি। ফোনে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় ভুল করে চলে এসেছে। যেহেতু টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ হয়েছে, এরপর আর কিছু জানি না।”
এ ঘটনায় এলাকাবাসী নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার বন্ধ করে সঠিক মান বজায় রেখে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে 
হুমায়ন আহমেদ, আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 





















