ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি Logo নগরকান্দায় ৯৫০ পিচ ইয়াবাসহ আটক ১
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

বাঘা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতির মৃত্যু স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আব্দুল হামিদ মিঞাঃ

 

রাজশাহীর বাঘা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, অবসরপ্রাপ্ত সহকারি অধ্যাপক আলী মুহাম্মদ হাশেমের মৃত্যু স্বরণে বাঘা প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাঘা প্রেসক্লাবের আহবায়ক আব্দুল লতিফ মিঞার সভাপতিত্বে ও নুরুজ্জামানের সঞ্চালনায় ৯ম মৃত্যু বার্ষিকীতে স্নৃতিচারন করে বক্তব্য রাখেন, প্রেস ক্লাবের আহবায়ক কমিটির সদস্য- আমানুল হক আমান, আসলাম আলী, আশরাফুল আলম, ফজলুর রহমান মুক্তা ও সাইদুল ইসলাম। দোয়া পরিচালনা করেন আশরাফুল আলম । এসময় উপস্থিত ছিলেন, মরহুম আলী মুহাম্মদ হাশেমের সহর্ধমিনী মঞ্জুরা বেগম, আহবায়ক কমিটির সদস্য লালন উদ্দীনসহ সুব্রত কুমার,দোয়েল মোল্লা,জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

২০১৬ সালের ২৬ অক্টোবর রাতে ডায়াবেটিক, হার্ট, ও প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা সদরে মিলিক বাঘা গ্রামের নিজ বাস ভবনে ৬৭ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।  জীবনদ্দশায় দৈনিক ইত্তেফাক ও আঞ্চলিক দৈনিক সোনালী সংবাদের বাঘা প্রতিনিধি ছিলেন। ১৯৯২ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রেস ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বহু কবিতা ও উপন্যাস লিখেছেন।

 

উল্লেখ্য,প্রয়াত সাংবাদিক আলী মুহাম্মদ হাশেম, ১৯৮৪ সালের ৫ নভেম্বর শাহদৌলা কলেজে বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১০ সালের ৭ জুলাই অবসর গ্রহন করেন। ১৯৫০ সালের ৭ জুলাই সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন তিনি । তার পিতা কফিল উদ্দীনের তিন ছেলের মধ্যে মরহুম হাশেম ছিলেন দ্বিতীয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক প্রয়াত ড. মজির উদ্দীন ছিলেন তার বড় ভাই।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের এমপির ছেলে, ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

error: Content is protected !!

বাঘা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতির মৃত্যু স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আপডেট টাইম : ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
আব্দুল হামিদ মিঞা, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আব্দুল হামিদ মিঞাঃ

 

রাজশাহীর বাঘা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, অবসরপ্রাপ্ত সহকারি অধ্যাপক আলী মুহাম্মদ হাশেমের মৃত্যু স্বরণে বাঘা প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাঘা প্রেসক্লাবের আহবায়ক আব্দুল লতিফ মিঞার সভাপতিত্বে ও নুরুজ্জামানের সঞ্চালনায় ৯ম মৃত্যু বার্ষিকীতে স্নৃতিচারন করে বক্তব্য রাখেন, প্রেস ক্লাবের আহবায়ক কমিটির সদস্য- আমানুল হক আমান, আসলাম আলী, আশরাফুল আলম, ফজলুর রহমান মুক্তা ও সাইদুল ইসলাম। দোয়া পরিচালনা করেন আশরাফুল আলম । এসময় উপস্থিত ছিলেন, মরহুম আলী মুহাম্মদ হাশেমের সহর্ধমিনী মঞ্জুরা বেগম, আহবায়ক কমিটির সদস্য লালন উদ্দীনসহ সুব্রত কুমার,দোয়েল মোল্লা,জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

২০১৬ সালের ২৬ অক্টোবর রাতে ডায়াবেটিক, হার্ট, ও প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা সদরে মিলিক বাঘা গ্রামের নিজ বাস ভবনে ৬৭ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।  জীবনদ্দশায় দৈনিক ইত্তেফাক ও আঞ্চলিক দৈনিক সোনালী সংবাদের বাঘা প্রতিনিধি ছিলেন। ১৯৯২ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রেস ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বহু কবিতা ও উপন্যাস লিখেছেন।

 

উল্লেখ্য,প্রয়াত সাংবাদিক আলী মুহাম্মদ হাশেম, ১৯৮৪ সালের ৫ নভেম্বর শাহদৌলা কলেজে বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১০ সালের ৭ জুলাই অবসর গ্রহন করেন। ১৯৫০ সালের ৭ জুলাই সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন তিনি । তার পিতা কফিল উদ্দীনের তিন ছেলের মধ্যে মরহুম হাশেম ছিলেন দ্বিতীয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক প্রয়াত ড. মজির উদ্দীন ছিলেন তার বড় ভাই।