ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

৩৫ টাকা দরে ধান ও ৪৯ টাকায় চাল সংগ্রহ করবে সরকার, লক্ষ্য ৮ লাখ টন

জাতীয় ডেস্ক: কৃষকদের স্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চলতি অর্থবছরে আমন মৌসুমে খাদ্যশস্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই কার্যক্রমে প্রতি কেজি আমন ধানের সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে পঁয়ত্রিশ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল ঊনপঞ্চাশ টাকা এবং আতপ চাল আটচলসব টাকা দরে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের পর্যালোচনার ভিত্তিতে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, কৃষকদের উৎপাদন খরচ এবং তাঁদের ন্যায্য লভ্যাংশ হিসাব করেই এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতি, বাজারদর এবং কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনা করেই আমন সংগ্রহের এই লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। সরকারিভাবে এবার তিন লাখ মেট্রিক টন ধান এবং সাড়ে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কৃষকরা যেন কোনোভাবেই উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বাইরেও যদি কোনো কৃষক অতিরিক্ত ধান সরকারের কাছে বিক্রি করতে চান, তবে সেটি গ্রহণের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। লক্ষ্যমাত্রার অজুহাত দেখিয়ে কোনো কৃষককে খালি হাতে ফেরত পাঠানো যাবে না। কৃষকরা খাদ্য গুদামে ধান নিয়ে এলে তা কেনার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি এই সংগ্রহ কার্যক্রমে কোনো অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না এবং কৃষকদের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা হবে।

আগামী চৌদ্দ নভেম্বর থেকে আমন ধান সংগ্রহ অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে, যা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ পর্যন্ত চলবে। এছাড়া আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়ে একই সময়ে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

খোকসায় নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত

error: Content is protected !!

৩৫ টাকা দরে ধান ও ৪৯ টাকায় চাল সংগ্রহ করবে সরকার, লক্ষ্য ৮ লাখ টন

আপডেট টাইম : ১২ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

জাতীয় ডেস্ক: কৃষকদের স্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চলতি অর্থবছরে আমন মৌসুমে খাদ্যশস্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই কার্যক্রমে প্রতি কেজি আমন ধানের সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে পঁয়ত্রিশ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল ঊনপঞ্চাশ টাকা এবং আতপ চাল আটচলসব টাকা দরে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের পর্যালোচনার ভিত্তিতে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, কৃষকদের উৎপাদন খরচ এবং তাঁদের ন্যায্য লভ্যাংশ হিসাব করেই এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতি, বাজারদর এবং কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনা করেই আমন সংগ্রহের এই লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। সরকারিভাবে এবার তিন লাখ মেট্রিক টন ধান এবং সাড়ে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কৃষকরা যেন কোনোভাবেই উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বাইরেও যদি কোনো কৃষক অতিরিক্ত ধান সরকারের কাছে বিক্রি করতে চান, তবে সেটি গ্রহণের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। লক্ষ্যমাত্রার অজুহাত দেখিয়ে কোনো কৃষককে খালি হাতে ফেরত পাঠানো যাবে না। কৃষকরা খাদ্য গুদামে ধান নিয়ে এলে তা কেনার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি এই সংগ্রহ কার্যক্রমে কোনো অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না এবং কৃষকদের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা হবে।

আগামী চৌদ্দ নভেম্বর থেকে আমন ধান সংগ্রহ অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে, যা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ পর্যন্ত চলবে। এছাড়া আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়ে একই সময়ে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।