জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় প্রশাসন একাডেমির মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে সরকারি বিধিমালা ও প্রশাসনিক নিয়ম লঙ্ঘন করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনি অর্পিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারি আদেশ ও প্রজ্ঞাপন বারবার উপেক্ষা করছেন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা।প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নিজেই নিয়মবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে পদোন্নতি, বদলি এবং আর্থিক অনুদান বিতরণের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে না। এতে করে সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।সরকারি কোষাগার থেকে বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা থাকলেও সেখানেও নানা অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। কোনো ধরনের পূর্বানুমোদন বা নিয়মের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে একের পর এক বিতর্কিত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সরকারি অর্থের অপচয় ঘটছে এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট মহল থেকে এই বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায় প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিজ্ঞ মহল। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় প্রশাসন একাডেমির মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে সরকারি বিধিমালা ও প্রশাসনিক নিয়ম লঙ্ঘন করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনি অর্পিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারি আদেশ ও প্রজ্ঞাপন বারবার উপেক্ষা করছেন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নিজেই নিয়মবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে পদোন্নতি, বদলি এবং আর্থিক অনুদান বিতরণের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে না। এতে করে সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
সরকারি কোষাগার থেকে বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা থাকলেও সেখানেও নানা অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। কোনো ধরনের পূর্বানুমোদন বা নিয়মের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে একের পর এক বিতর্কিত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সরকারি অর্থের অপচয় ঘটছে এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট মহল থেকে এই বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায় প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিজ্ঞ মহল। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।