আপডেট টাইম :
০৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৩
১৯৫
বার পঠিত
সদরপুরে জেলা পরিষদ সদস্য এখলাস ফকিরকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পূর্বশৈলডুবী গ্রামে ফরিদপুর জেলা পরিষদ সদস্য এখলাস আলী ফকির (৪৫) কে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ২ ঘটিকায় কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় একদল দূর্বৃত্ত। জানা গেছে এখলাস আলী ফকির একই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য লতিফ মাতুব্বরের ছেলে বাবলু মাতুব্বরের মেয়ের বিয়ের দাওয়াত খেতে যায়। এসময় ৭-৮ জনের একটি দূর্বৃত্ত দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তাকে সদরপুর হাসপাতালে নেয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত তার অবস্থা আশংকাজনক। আরও পড়ুনঃ এটাই আনন্দ যে, সাধারণ নাগরিক হিসেবে চলাফেরা করতে পারবঃ -আবদুল হামিদ সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুব্রত গোলদারের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন- পরবর্তীতে এ ঘটনা নিয়ে যাতে কোন বড় ধরণের সংঘর্ষ না বাঁধে সে জন্য আমি পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছি। তিনি আরও জানান কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দু’টি পক্ষ। একটি পক্ষ বর্তমান চেয়ারম্যান আকতারুজ্জামান তিতাসের, অপরপক্ষ সাবেক চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন ফকিরের। গত ইউপি নির্বাচন থেকেই এই দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এখলাস ফকির বর্তমান চেয়ারম্যান তিতাসের সমর্থক। এখলাস হোসেন ফকির গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে নির্বাচিত হন। তার পিতার নাম আব্দুল হালিম ফকির। সে (এখলাস ফকির) স্থানীয় ফকির ইটভাটার মালিক।
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পূর্বশৈলডুবী গ্রামে ফরিদপুর জেলা পরিষদ সদস্য এখলাস আলী ফকির (৪৫) কে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ২ ঘটিকায় কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় একদল দূর্বৃত্ত।
জানা গেছে এখলাস আলী ফকির একই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য লতিফ মাতুব্বরের ছেলে বাবলু মাতুব্বরের মেয়ের বিয়ের দাওয়াত খেতে যায়। এসময় ৭-৮ জনের একটি দূর্বৃত্ত দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তাকে সদরপুর হাসপাতালে নেয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুব্রত গোলদারের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন- পরবর্তীতে এ ঘটনা নিয়ে যাতে কোন বড় ধরণের সংঘর্ষ না বাঁধে সে জন্য আমি পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছি। তিনি আরও জানান কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দু’টি পক্ষ। একটি পক্ষ বর্তমান চেয়ারম্যান আকতারুজ্জামান তিতাসের, অপরপক্ষ সাবেক চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন ফকিরের।
গত ইউপি নির্বাচন থেকেই এই দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এখলাস ফকির বর্তমান চেয়ারম্যান তিতাসের সমর্থক। এখলাস হোসেন ফকির গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে নির্বাচিত হন। তার পিতার নাম আব্দুল হালিম ফকির। সে (এখলাস ফকির) স্থানীয় ফকির ইটভাটার মালিক।