সোহাগ কাজী, মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়া ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও সক্রিয়, গতিশীল ও জনবান্ধব করতে স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কয়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসান।
সভায় ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা ও সদস্য, শিক্ষক, ইমাম, গ্রাম পুলিশ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, সুবিধা, আইন ও বিধিবিধান এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এ সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসান বলেন, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ রয়েছে। অল্প খরচে স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভব হওয়ায় সাধারণ মানুষ এ সেবা থেকে উপকৃত হতে পারেন। তিনি গ্রাম আদালতের সুবিধা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় ডাসার ও কালকিনি উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন গ্রাম আদালতের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সুবিধা তুলে ধরেন। তিনি ভরণপোষণসহ বিভিন্ন ছোটখাটো বিরোধ স্থানীয় পর্যায়ে নিষ্পত্তির বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি গ্রাম পুলিশদের প্রতিটি ওয়ার্ডের হাটবাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রচার-প্রচারণা চালানোর অনুরোধ করেন।
এ সময় বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার মো. আলিউল হাসানাত খান গ্রাম আদালতের আইন, বিধিবিধান ও সুবিধা নিয়ে আলোচনা করেন।
সভা শেষে চেয়ারম্যান কামরুল হাসান উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
স্লোগান: অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে—চলো যাই আমরা গ্রাম আদালতে।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 




















