ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

মুকসুদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাদশাহ মিয়া:

 

“জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির।

 

উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. দীপ সাহা-র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু শরীফ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ভীষ্মদেব মণ্ডল এবং উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

 

আলোচনা সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, নবজাতক ও মায়েদের জন্য বুকের দুধের গুরুত্ব সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। শিশুর জন্মের পর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের বুকের দুধ পান করানো গেলে নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি প্রায় ৩১ শতাংশ কমে যায়। এছাড়া জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ (এক ফোঁটা পানিও নয়) খাওয়ানো হলে শিশুমৃত্যুর হার আরও প্রায় ১৩ শতাংশ হ্রাস পায়।

 

তিনি আরও বলেন, শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে শালদুধ (কলোস্ট্রাম) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু পুষ্টিকরই নয়, বরং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং প্রথম প্রাকৃতিক টিকার মতো কাজ করে। জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই।

 

বক্তারা মাতৃদুগ্ধ পান করানোর বিষয়ে পরিবার ও সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাতৃদুগ্ধবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আলফাডাঙ্গায় প্রেমিকের ফাঁদে মাদ্রাসাছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, দলীয় প্রধান পুলিশের হাতে আটক

error: Content is protected !!

মুকসুদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট টাইম : ০১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
বাদশাহ মিয়া, মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি :

বাদশাহ মিয়া:

 

“জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির।

 

উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. দীপ সাহা-র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু শরীফ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ভীষ্মদেব মণ্ডল এবং উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

 

আলোচনা সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, নবজাতক ও মায়েদের জন্য বুকের দুধের গুরুত্ব সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। শিশুর জন্মের পর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের বুকের দুধ পান করানো গেলে নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি প্রায় ৩১ শতাংশ কমে যায়। এছাড়া জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ (এক ফোঁটা পানিও নয়) খাওয়ানো হলে শিশুমৃত্যুর হার আরও প্রায় ১৩ শতাংশ হ্রাস পায়।

 

তিনি আরও বলেন, শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে শালদুধ (কলোস্ট্রাম) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু পুষ্টিকরই নয়, বরং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং প্রথম প্রাকৃতিক টিকার মতো কাজ করে। জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই।

 

বক্তারা মাতৃদুগ্ধ পান করানোর বিষয়ে পরিবার ও সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাতৃদুগ্ধবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।