দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
পাংশার বনগ্রাম আতারুন্নেছা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে চুরি
মোক্তার হোসেনঃ রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউপির বনগ্রাম আতারুন্নেছা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে গত ২৩শে জুলাই রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিনগত রাতের যে কোন সময় সংঘবদ্ধ চোর দল বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ও শ্রেণী কক্ষের তালা ভেঙ্গে ৭টি সিলিং ফ্যান চুরি করে নিয়ে যায় এবং অফিস কক্ষের বিভিন্ন কাগজপত্র তছনছ করে। পরদিন শুক্রবার বিদ্যালয়ের দপ্তরী নিশিত মন্ডল বিদ্যালয়ে গেলে তালা ভেঙ্গে সিলিং ফ্যান চুরি ও অফিস কক্ষে কাগজপত্র তছনছ অবস্থায় দেখেন এবং তিনি মোবাইল ফোনে চুরির বিষয়টি প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বিদ্যালয়ে গেলে তালা ভেঙ্গে অফিস কক্ষ এবং শ্রেণী কক্ষের মোট ৭টি সিলিং ফ্যান চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন। ঘটনার দিন বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী কুমারেশ চন্দ্র মন্ডল ছুটিতে ছিলেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে বনগ্রাম আতারুন্নেছা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়নি। তবে বিদ্যালয়টির স্থাপনা নির্মাণ এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক সম্মানী প্রদান করতেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও দাতা ইঞ্জিনিয়ার একেএম রফিক উদ্দিন। ইঞ্জিনিয়ার একেএম রফিক উদ্দিনের মৃত্যুর পর তার পরিবার বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক সম্মানী প্রদান অব্যাহত রেখেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
মোক্তার হোসেনঃ
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউপির বনগ্রাম আতারুন্নেছা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে গত ২৩শে জুলাই রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিনগত রাতের যে কোন সময় সংঘবদ্ধ চোর দল বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ও শ্রেণী কক্ষের তালা ভেঙ্গে ৭টি সিলিং ফ্যান চুরি করে নিয়ে যায় এবং অফিস কক্ষের বিভিন্ন কাগজপত্র তছনছ করে।
পরদিন শুক্রবার বিদ্যালয়ের দপ্তরী নিশিত মন্ডল বিদ্যালয়ে গেলে তালা ভেঙ্গে সিলিং ফ্যান চুরি ও অফিস কক্ষে কাগজপত্র তছনছ অবস্থায় দেখেন এবং তিনি মোবাইল ফোনে চুরির বিষয়টি প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বিদ্যালয়ে গেলে তালা ভেঙ্গে অফিস কক্ষ এবং শ্রেণী কক্ষের মোট ৭টি সিলিং ফ্যান চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন। ঘটনার দিন বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী কুমারেশ চন্দ্র মন্ডল ছুটিতে ছিলেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে বনগ্রাম আতারুন্নেছা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়নি। তবে বিদ্যালয়টির স্থাপনা নির্মাণ এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক সম্মানী প্রদান করতেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও দাতা ইঞ্জিনিয়ার একেএম রফিক উদ্দিন।
ইঞ্জিনিয়ার একেএম রফিক উদ্দিনের মৃত্যুর পর তার পরিবার বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক সম্মানী প্রদান অব্যাহত রেখেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।