ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

দৌলতপুরে পদ্মা নদীর ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন এমপি বাচ্চু মোল্লা

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের এমপি আলহাজ্ব রেজা আহমেদবাচ্চু মোল্লা পদ্মা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

 

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের কোলদিয়াড়, মাজদিয়াড়সহ পদ্মা নদীর ভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং নদী ভাঙনের শিকার ফসলি জমি হারানো অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন।

 

পরিদর্শনকালে বিএনপি দলীয় এমপি রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা পদ্মাপাড় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এসময় তিনি কয়েকদিনে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে তার নির্বাচনী এলাকা মরিচা ইউনিয়নের কোলদিয়াড়, মাজদিয়াড়সহ বিভিন্ন এলাকায় ৫শতাধিক বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার কথা জানান। গ্রাম থেকে নদী থেকে মাত্র কোয়ার্টার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে অচিরেই পদ্মার ভাঙনে গ্রামগুলি বিলীন হয়ে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাই দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে ব্যবস্থাগ্রহণের আহ্বান জানান।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, মরিচা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান, মাহাবুল হক, দৌলতপুর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাশেদুল হক শামীম, দৌলতপুর যুবদলের আহ্বায়ক বেনজির আহমেদ বাচ্চু ও দৌলতপুর ছাত্রদলের আহ্বায়কমাসুদুজ্জামান রুবেলসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

 

উল্লেখ্য, চলতি বর্ষা ও বন্যা মৌসুমে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর ভাঙনও তীব্র আকার ধারণ করেছে। মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড়-কোলদিয়াড় গ্রাম থেকে ভুরকা-হাটখোলাপাড়া গ্রাম পর্যন্ত কয়েক কি. মি. এলাকাজুড়ে নদী ভাঙনে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে শত শতবিঘা ফসলি জমি। নদী ভাঙনে ফসলি জমি হারিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

 

গত ৩ সপ্তাহে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে বিভিন্ন ধরণের উঠতি ফসলসহ ৫ শতাধিক বিঘা জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। আবার অনেকে ভাঙন আতঙ্কে অপরিপক্ক ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন গবাদি পশুর জন্য। এভাবে নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে অচিরেই বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে বিলীন হবে কয়েকটি গ্রাম।তাই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দাদুরিয়া বিল সড়কে মৃত্যুফাঁদে পরিণত শুকনো গাছ, অপসারণের দাবি

error: Content is protected !!

দৌলতপুরে পদ্মা নদীর ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন এমপি বাচ্চু মোল্লা

আপডেট টাইম : ১২ ঘন্টা আগে
ইসমাইল হােসেন বাবু, সিনিয়ার ষ্টাফ রিপাের্টার :

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের এমপি আলহাজ্ব রেজা আহমেদবাচ্চু মোল্লা পদ্মা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

 

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের কোলদিয়াড়, মাজদিয়াড়সহ পদ্মা নদীর ভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং নদী ভাঙনের শিকার ফসলি জমি হারানো অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন।

 

পরিদর্শনকালে বিএনপি দলীয় এমপি রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা পদ্মাপাড় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এসময় তিনি কয়েকদিনে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে তার নির্বাচনী এলাকা মরিচা ইউনিয়নের কোলদিয়াড়, মাজদিয়াড়সহ বিভিন্ন এলাকায় ৫শতাধিক বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার কথা জানান। গ্রাম থেকে নদী থেকে মাত্র কোয়ার্টার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে অচিরেই পদ্মার ভাঙনে গ্রামগুলি বিলীন হয়ে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাই দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে ব্যবস্থাগ্রহণের আহ্বান জানান।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, মরিচা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান, মাহাবুল হক, দৌলতপুর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাশেদুল হক শামীম, দৌলতপুর যুবদলের আহ্বায়ক বেনজির আহমেদ বাচ্চু ও দৌলতপুর ছাত্রদলের আহ্বায়কমাসুদুজ্জামান রুবেলসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

 

উল্লেখ্য, চলতি বর্ষা ও বন্যা মৌসুমে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর ভাঙনও তীব্র আকার ধারণ করেছে। মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড়-কোলদিয়াড় গ্রাম থেকে ভুরকা-হাটখোলাপাড়া গ্রাম পর্যন্ত কয়েক কি. মি. এলাকাজুড়ে নদী ভাঙনে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে শত শতবিঘা ফসলি জমি। নদী ভাঙনে ফসলি জমি হারিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

 

গত ৩ সপ্তাহে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে বিভিন্ন ধরণের উঠতি ফসলসহ ৫ শতাধিক বিঘা জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। আবার অনেকে ভাঙন আতঙ্কে অপরিপক্ক ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন গবাদি পশুর জন্য। এভাবে নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে অচিরেই বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে বিলীন হবে কয়েকটি গ্রাম।তাই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ।