দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
২০১
বার পঠিত
কাশ্মীরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’
ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ২৬ জন পর্যটক নিহত হওয়ার একদিন পর, বিগত ৩৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। . বুধবার (২৩ এপ্রিল) ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এর মসজিদগুলোর লাউডস্পিকারে ঘোষণা দিয়ে দিয়ে স্থানীয় জনগণকে এই শাটডাউনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় শুরু হয় প্রতিবাদ। . ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবারের (২২ এপ্রিল) হামলার পর থেকে পাহেলগামে বাজার সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। . পহেলগামের স্থানীয় দোকানি এবং হোটেল মালিকরা ‘হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ’ এবং ‘আমি ভারতীয়’ স্লোগান দিয়ে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন। তারা এনডিটিভিকে জানান, এখনও আটকে থাকা পর্যটকদের সব ধরনের সহায়তা দেবেন। যার মধ্যে ১৫ দিনের জন্য বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত। . আসিফ বুরজা নামের একজন হোটেল মালিক এই সন্ত্রাসী হামলাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে বর্ণনা করেছেন। পর্যটক এবং তাদের পরিবারের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছেন আরও একজন হোটেল মালিক। . অন্য একটি বিক্ষোভে অংশ নেয়া লোকেরা এনডিটিভিকে বলেছেন, তারা এ ধরনের হামলা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণরূপে সেনাবাহিনীর সঙ্গে থাকবেন। . এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয়, আমরা সম্পূর্ণরূপে সেনাবাহিনীর সাথে আছি। আমরা এটা সহ্য করব না। আমাদের মূলে আঘাত করা হয়েছে। আমরা মানুষ। এটা টাকা বা ব্যবসার বিষয় নয়।’
ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ২৬ জন পর্যটক নিহত হওয়ার একদিন পর, বিগত ৩৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে।
.
বুধবার (২৩ এপ্রিল) ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এর মসজিদগুলোর লাউডস্পিকারে ঘোষণা দিয়ে দিয়ে স্থানীয় জনগণকে এই শাটডাউনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় শুরু হয় প্রতিবাদ।
.
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবারের (২২ এপ্রিল) হামলার পর থেকে পাহেলগামে বাজার সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
.
পহেলগামের স্থানীয় দোকানি এবং হোটেল মালিকরা ‘হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ’ এবং ‘আমি ভারতীয়’ স্লোগান দিয়ে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন। তারা এনডিটিভিকে জানান, এখনও আটকে থাকা পর্যটকদের সব ধরনের সহায়তা দেবেন। যার মধ্যে ১৫ দিনের জন্য বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত।
.
আসিফ বুরজা নামের একজন হোটেল মালিক এই সন্ত্রাসী হামলাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে বর্ণনা করেছেন। পর্যটক এবং তাদের পরিবারের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছেন আরও একজন হোটেল মালিক।
.
অন্য একটি বিক্ষোভে অংশ নেয়া লোকেরা এনডিটিভিকে বলেছেন, তারা এ ধরনের হামলা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণরূপে সেনাবাহিনীর সঙ্গে থাকবেন।
.
এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয়, আমরা সম্পূর্ণরূপে সেনাবাহিনীর সাথে আছি। আমরা এটা সহ্য করব না। আমাদের মূলে আঘাত করা হয়েছে। আমরা মানুষ। এটা টাকা বা ব্যবসার বিষয় নয়।’