ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ইলিশ উৎপাদন ৬ লাখ টনে পৌঁছার লক্ষ্যে ২ মাস মাছ ধরা নিষেধ

মৎস্য বিজ্ঞানীদের সমুদ্রে যাওয়ার সময় পর্যন্ত যেসব এলাকায় ইলিশ পোনা-জাটকা খাদ্য গ্রহণ করে বেড়ে ওঠে, সেগুলোকে ‘গুরুত্বপূর্ণ নার্সারি ক্ষেত্র’ হিসেবে চিহিৃত করে অভয়াশম ঘোষণা করা হয়েছে। ভোলার ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালী চর রুস্তম পর্যন্ত তেঁতুুলিয়া নদীর ১শ’ কিলোমিটার, পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আন্ধারমানিক নদীর ৪০ কিলোমিটার, চাঁদপুরের ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুরের চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত ১শ’ কিলোমিটার, মদনপুর থেকে ভোলার চর ইলিশা হয়ে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনার শাহবাজপুর চ্যানেলের ৯০ কিলোমিটার, শরিয়তপুরের নড়িয়া থেকে ভেদরগঞ্জ নিম্ন পদ্মার ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত মোট ৬টি অভয়াশ্রমে নভেম্বর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে মাছ আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করায় ইলিশ সহ সব ধরনের মাছে উৎপাদন বাড়ছে। মৎস্য অধিদপ্তরের মতে সারা দেশে উৎপাদিত ও আহরিত ইলিশের ৬৮-৭০ ভাগই দক্ষিণাঞ্চলে সম্পন্ন হচ্ছে।

অভয়াশ্রমসহ সারা দেশে আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে জাটকা সংরক্ষণে ইতোমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলসহ উপকূলভাগ জুুড়ে মৎস্য অধিদফতরের সহযোগিতায় বিভিন্ন জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মৎস্য অধিদফতরের দায়িত্বশীল সূত্রের মতে, জাটকা আহরণ বন্ধসহ কারেন্ট জাল ও বেহুন্দি জাল এবং ক্ষতিকর মৎস্য আহরণ উপকরণের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাসে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার অভিযান ছাড়াও প্রায় ১ হাজার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় প্রায় ৫০ টন জাটকাসহ আরো প্রায় ১৮ টন অন্যান্য মাছ আটক করা করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযানকালে ৭ হাজার ওপর বেহুন্দি জাল ছাড়াও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি মিটার কারেন্ট জাল এবং ১২ হাজারটি অন্যান্য ক্ষতিকর জাট আটক করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এসব অভিযানকালে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ৪৫১টি মামলা দায়ের ছাড়াও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায় এবং প্রায় ৭০ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডাদেশ প্রদান করা হয়েছে। অভিযানকালে বাজেয়াপ্তকৃত নৌকাসহ অন্যান্য মালামাল নিলামে বিক্রি করে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। মৎস্য অধিদফতর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মৎস্য বিজ্ঞানীদের মতে, অভিপ্রয়াণী মাছ ইলিশ প্রতিদিন স্রোতের বিপরীতে ৭১ কিলোমিটার পর্যন্ত ছুটে চলে জীবনচক্রে স্বাদু পানি থেকে সমুদ্রের নোনা পানিতে এবং সেখান থেকে পুনরায় স্বাদু পানিতে অভিপ্রয়ান করে। ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্র এবং মাইগ্রেশন পথ নির্বিঘ্ন রাখাসহ সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের মজুত ও জীব বৈচিত্রকে সমৃদ্ধ করতে হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ সংলগ্ন ৩ হাজার ১৮৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে দেশের প্রথম ‘সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা’ বা ‘মেরিন রিজর্ভ এরিয়া’ ঘোষণা করা হয়েছে।

ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে গত বছর অক্টোবরে ২২ দিনের আহরন, পরিবহন ও বিপননে নিষেধাজ্ঞাকালে উপকূলের ৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার প্রজননস্থলসহ অভ্যন্তরীন নদ-নদীতে প্রায় ৮৪% মা ইলিশ ডিম ছাড়ে। এরমধ্যে ৫২ ভাগ মা ইলিশ ২২ দিনের মূল প্রজননকালীন সময়ে সম্পূর্ণ ডিম ছাড়ে। অপর ৩২% ডিম ছাড়ারত ছিল। যা ছিল গত বছরের প্রজননকালের চেয়ে প্রায় ২.৪৫% বেশি। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মতে, বিগত প্রজননকালে প্রায় ৮ লাখ ৫ হাজার কেজি ডিম ছেড়েছে মা ইলিশ। যার প্রস্ফুটনে দেশে ৪০ হাজার ২৭৬ কোটি জাটকা ইলিশ পরিবারে যুক্ত হয়েছে বলে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ জানিয়েছেন। ফলে চলতি অর্থ বছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন প্রায় ৬ লাখ টনে পৌঁছতে পারে বলেও আশাবাদী মৎস্য বিজ্ঞানীগণ। এমনকি দেশ মৎস্য উৎপাদনে সয়ংসম্পূর্ণ হবার পেছনে ইলিশের একক অবদান সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য। ইলিশের কারণেই দক্ষিণাঞ্চল মৎস্যখাতে এখন উদ্বৃত্ত এলাকা।

মূল প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন, জাটকা আহরণে ৮ মাস এবং সাগরে ৬৫ দিনের আহরণ নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশে গত দুই দশকে ইলিশের উৎপাদন ২ লাখ টন থেকে গত অর্থবছরে প্রায় ৫.৬৫ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। চলতি বছরে তা প্রায় ৬ লাখ টন উন্নীত হতে পারে বলেও মৎস্য অধিদফতর ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের দায়িত্বশীল মহল আশাবাদী।

এদিকে ৮ মাসের জাটকা আহরণ নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ের মধ্যে সরকার ‘মানবিক সহায়তা’ হিসেবে ৪ মাসের জন্য দেশের ২০টি জেলার ৯৭ উপজেলার ৩ লাখ ৬১ হাজার জেলে পরিবারের জন্য ৫৭ হাজার ৭৩৯ টন চাল বরাদ্দ করেছে। যারমধ্যে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ২ লাখ ৩০ হাজার ১৮৭ জেলে পরিবারের জন্য ৩৬ হাজার ৮২৯ টন চাল বিতরণ চলছে। এসব খাদ্যশষ্য পরিবহনের জন্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭৬০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ জেলাতেই ফেব্রুয়ারি মাসের চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আলমডাঙ্গার কুমারী বাজারে এনসিপি ও জাতীয় ছাত্রশক্তির উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

ইলিশ উৎপাদন ৬ লাখ টনে পৌঁছার লক্ষ্যে ২ মাস মাছ ধরা নিষেধ

আপডেট টাইম : ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক :

মৎস্য বিজ্ঞানীদের সমুদ্রে যাওয়ার সময় পর্যন্ত যেসব এলাকায় ইলিশ পোনা-জাটকা খাদ্য গ্রহণ করে বেড়ে ওঠে, সেগুলোকে ‘গুরুত্বপূর্ণ নার্সারি ক্ষেত্র’ হিসেবে চিহিৃত করে অভয়াশম ঘোষণা করা হয়েছে। ভোলার ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালী চর রুস্তম পর্যন্ত তেঁতুুলিয়া নদীর ১শ’ কিলোমিটার, পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আন্ধারমানিক নদীর ৪০ কিলোমিটার, চাঁদপুরের ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুরের চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত ১শ’ কিলোমিটার, মদনপুর থেকে ভোলার চর ইলিশা হয়ে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনার শাহবাজপুর চ্যানেলের ৯০ কিলোমিটার, শরিয়তপুরের নড়িয়া থেকে ভেদরগঞ্জ নিম্ন পদ্মার ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত মোট ৬টি অভয়াশ্রমে নভেম্বর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে মাছ আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করায় ইলিশ সহ সব ধরনের মাছে উৎপাদন বাড়ছে। মৎস্য অধিদপ্তরের মতে সারা দেশে উৎপাদিত ও আহরিত ইলিশের ৬৮-৭০ ভাগই দক্ষিণাঞ্চলে সম্পন্ন হচ্ছে।

অভয়াশ্রমসহ সারা দেশে আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে জাটকা সংরক্ষণে ইতোমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলসহ উপকূলভাগ জুুড়ে মৎস্য অধিদফতরের সহযোগিতায় বিভিন্ন জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মৎস্য অধিদফতরের দায়িত্বশীল সূত্রের মতে, জাটকা আহরণ বন্ধসহ কারেন্ট জাল ও বেহুন্দি জাল এবং ক্ষতিকর মৎস্য আহরণ উপকরণের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাসে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার অভিযান ছাড়াও প্রায় ১ হাজার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় প্রায় ৫০ টন জাটকাসহ আরো প্রায় ১৮ টন অন্যান্য মাছ আটক করা করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযানকালে ৭ হাজার ওপর বেহুন্দি জাল ছাড়াও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি মিটার কারেন্ট জাল এবং ১২ হাজারটি অন্যান্য ক্ষতিকর জাট আটক করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এসব অভিযানকালে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ৪৫১টি মামলা দায়ের ছাড়াও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ টাকা জরিমানা আদায় এবং প্রায় ৭০ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডাদেশ প্রদান করা হয়েছে। অভিযানকালে বাজেয়াপ্তকৃত নৌকাসহ অন্যান্য মালামাল নিলামে বিক্রি করে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। মৎস্য অধিদফতর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মৎস্য বিজ্ঞানীদের মতে, অভিপ্রয়াণী মাছ ইলিশ প্রতিদিন স্রোতের বিপরীতে ৭১ কিলোমিটার পর্যন্ত ছুটে চলে জীবনচক্রে স্বাদু পানি থেকে সমুদ্রের নোনা পানিতে এবং সেখান থেকে পুনরায় স্বাদু পানিতে অভিপ্রয়ান করে। ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্র এবং মাইগ্রেশন পথ নির্বিঘ্ন রাখাসহ সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের মজুত ও জীব বৈচিত্রকে সমৃদ্ধ করতে হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ সংলগ্ন ৩ হাজার ১৮৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে দেশের প্রথম ‘সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা’ বা ‘মেরিন রিজর্ভ এরিয়া’ ঘোষণা করা হয়েছে।

ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে গত বছর অক্টোবরে ২২ দিনের আহরন, পরিবহন ও বিপননে নিষেধাজ্ঞাকালে উপকূলের ৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার প্রজননস্থলসহ অভ্যন্তরীন নদ-নদীতে প্রায় ৮৪% মা ইলিশ ডিম ছাড়ে। এরমধ্যে ৫২ ভাগ মা ইলিশ ২২ দিনের মূল প্রজননকালীন সময়ে সম্পূর্ণ ডিম ছাড়ে। অপর ৩২% ডিম ছাড়ারত ছিল। যা ছিল গত বছরের প্রজননকালের চেয়ে প্রায় ২.৪৫% বেশি। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মতে, বিগত প্রজননকালে প্রায় ৮ লাখ ৫ হাজার কেজি ডিম ছেড়েছে মা ইলিশ। যার প্রস্ফুটনে দেশে ৪০ হাজার ২৭৬ কোটি জাটকা ইলিশ পরিবারে যুক্ত হয়েছে বলে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ জানিয়েছেন। ফলে চলতি অর্থ বছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন প্রায় ৬ লাখ টনে পৌঁছতে পারে বলেও আশাবাদী মৎস্য বিজ্ঞানীগণ। এমনকি দেশ মৎস্য উৎপাদনে সয়ংসম্পূর্ণ হবার পেছনে ইলিশের একক অবদান সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য। ইলিশের কারণেই দক্ষিণাঞ্চল মৎস্যখাতে এখন উদ্বৃত্ত এলাকা।

মূল প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন, জাটকা আহরণে ৮ মাস এবং সাগরে ৬৫ দিনের আহরণ নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশে গত দুই দশকে ইলিশের উৎপাদন ২ লাখ টন থেকে গত অর্থবছরে প্রায় ৫.৬৫ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। চলতি বছরে তা প্রায় ৬ লাখ টন উন্নীত হতে পারে বলেও মৎস্য অধিদফতর ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের দায়িত্বশীল মহল আশাবাদী।

এদিকে ৮ মাসের জাটকা আহরণ নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ের মধ্যে সরকার ‘মানবিক সহায়তা’ হিসেবে ৪ মাসের জন্য দেশের ২০টি জেলার ৯৭ উপজেলার ৩ লাখ ৬১ হাজার জেলে পরিবারের জন্য ৫৭ হাজার ৭৩৯ টন চাল বরাদ্দ করেছে। যারমধ্যে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ২ লাখ ৩০ হাজার ১৮৭ জেলে পরিবারের জন্য ৩৬ হাজার ৮২৯ টন চাল বিতরণ চলছে। এসব খাদ্যশষ্য পরিবহনের জন্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭৬০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ জেলাতেই ফেব্রুয়ারি মাসের চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।