ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

আলফাডাঙ্গায় নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবি এলাকাবাসীর, করেছে মানববন্ধন

মোঃ ইকবাল হোসেনঃ

 

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের চর খোলাবাড়িয়া গ্রামে ভয়াবহ নদী ভাঙনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে এলাকাবাসী ।
নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ওই অঞ্চলের হাজারও মানুষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া এলাকায় মধুমতী নদীর পাড়ে ভাঙন কবলিত স্থানে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।

 

ইতোমধ্যে দুইটি মসজিদ, প্রায় ৫০০ একর জমি ও ১২০ থেকে ১৩০টি বসতঘরসহ অনেক স্থাপনা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
ভাঙনের চরম ঝুকিতে রয়েছে এনডিসি আল হেরা দাখিল মাদ্রাসা, দিগনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর খোলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি সাব-পোষ্ট অফিস, একটি এতিমখানা, ছয়টি মসজিদ, ফসলি জমি, বসতঘরসহ সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনা। গত বছর বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙন দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ড মাদ্রাসার সামনে জিও ব্যাগ ফেলে সেটা চাহিদার তুলনায় কম ছিল। এবছর সে জিও ব্যাগসহ নদীতে অনেক স্থান বিলীন হয়ে গেছে।

 

আল হেরা দাখিল মাদ্রাসা থেকে মাত্র ৪০ গজ দুরে রয়েছে নদী। যে ভাবে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে ভাঙন রোধে জরুরী ভাবে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কয়েক দিনের মধ্যে বিলীন হতে পারে উপজেলার ঐতিয্যবাহী প্রতিষ্ঠানটি। যেখানে প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, আল হেরা দাখিল মাদ্রাসাসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মাদ্রাসা, কবরস্থান,হাজার একর ফসলি জমি ও বসতঘর সহ বিলীন হয়ে যাচ্ছে মধুমতি নদীতে। গত তিন বছর ধরে একধারে ভাঙনে চর মাকড়াইল নামের একটি গ্রাম ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। এভাবে ভাঙতে থাকলে চর খোলাবাড়িয়া নামের গ্রামটি আলফাডাঙ্গার মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। তারা ভাঙন রোধে চায় স্থায়ী সমাধান।
আল হেরা দাখিল মাদ্রাসা সুপার মো. আব্দুর রব জানান, আমাদের মাদ্রাসা থেকে মাত্র ৪০ গজ দুরে রয়েছে। আমরা এখন চর ঝুঁকির মধ্যে দিন পার করছি। আমাদের ঐতিয্যবাহি প্রতিষ্ঠানটি রক্ষা না হলে এ অঞ্চলে শিক্ষার মান পিছিয়ে পড়বে। আমরা স্থানীয় বাঁধের জন্য মঙ্গলবার দুপুরে কয়েক গ্রামের প্রায় দুই হাজার লোক নদী পাড়ে ভাঙন কবলিত স্থানে স্থায়ী বাঁধের জন্য মানববন্ধন করেছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা শিক্ষক ও কর্মচারী দিয়ে ১৬ জন রয়েছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বড় উৎকন্ঠায় দিন পার করছে।

 

আল-হেরা মাদরাসার দশম আব্দুল জব্বার ও ফাতেমা খানম জানান, এক মাস পূর্বেও নদী অনেক দুরে ছিল। এখন নদী ভাঙতে ভাঙতে মাদ্রাসার কাছাকাছি চলে আসচ্ছে। এক মাস পর আমাদের ফাইনাল পরিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি ভেঙে যায় তাহলে আমাদের পড়ালেখার মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমারা প্রতিষ্ঠানটি রক্ষা করার জন্য সরকারে সহযোগীতা কামনা করছি। রইচউদ্দিনের মতো একই কথা বললেন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আজিজুল্লাহ ও সাজ্জাদ হোসেন।

 

চর খোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আলমগীর খান জানান, আমার স্কুল থেকে প্রায় ৬০ গজ দুরে নদীর অবস্থান। এই স্কুলে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চাই সরকারের কাছে।

 

চর খোলাবাড়িয়া গ্রামের কৃষক খোকন মিয়া জানান, এ বছর নদী ভাঙনে তার ৫ একর ফসলি জমি ও ৪টি বসতঘর ভেঙে গেছে নদীতে এখন আমি অন্যর জমিতে কোনো রকম ঘর তুলে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

 

কৃষক আব্দুস ছত্তার মিয়া তিনিও চর খোলাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে দুই একর ফসলি জমি ও তিনটি ঘর। অনন্ত ২০ জন কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের ফসলি জমি ও বসতঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তারা বাপ-দাদার ভিটে ছাড়তে চায় না। তারা একটি স্থায়ী বাঁধের দাবি করেন।

 

দিগনগর গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানান, আমাদের এলাকা গত তিন বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। গত বছর ভাঙন রোধে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। এ বছর সেটাও বিলীন হয়ে গেছে। আমরা এর একটি স্থায়ী সমাধান চাই।

 

বুড়াইচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমান আব্দুল ওহাব পান্নু জানান, ‘আমাদের ইউনিয়নের দিগনগর,চর খোলাবাড়িয়া ও চর মাকড়াইল গ্রাম তিনটি নদীতে বিলীন হতে বসেছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। আমরা এর একটি স্থায়ী সমাধান চাই। এ বছর যে ভাবে নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে তাতে করে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ফসলি জমি শত শত বসতঘর নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু বসতঘর ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। জরুরী ভিত্তিক এর একটি সমাধান চাই আমরা’।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) সহকারী কমিশনার (ভূমি) একেএম রায়হানুর রহমান জানান, ‘স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন জরুরী ভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করা হবে’।

 

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিব হোসেন জানান, ‘ভাঙন কবলিত স্থানে জরুরী ভিত্তিক আগামী দুই দিনের মধ্যে জিও ব্যাগ ফেলা হবে। স্থায়ী বাঁধ করতে সময় লাগবে’।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৩৮ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলো হাজী আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশন

error: Content is protected !!

আলফাডাঙ্গায় নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবি এলাকাবাসীর, করেছে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ১২ ঘন্টা আগে
মোঃ ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

মোঃ ইকবাল হোসেনঃ

 

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের চর খোলাবাড়িয়া গ্রামে ভয়াবহ নদী ভাঙনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে এলাকাবাসী ।
নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ওই অঞ্চলের হাজারও মানুষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া এলাকায় মধুমতী নদীর পাড়ে ভাঙন কবলিত স্থানে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।

 

ইতোমধ্যে দুইটি মসজিদ, প্রায় ৫০০ একর জমি ও ১২০ থেকে ১৩০টি বসতঘরসহ অনেক স্থাপনা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
ভাঙনের চরম ঝুকিতে রয়েছে এনডিসি আল হেরা দাখিল মাদ্রাসা, দিগনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর খোলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি সাব-পোষ্ট অফিস, একটি এতিমখানা, ছয়টি মসজিদ, ফসলি জমি, বসতঘরসহ সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনা। গত বছর বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙন দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ড মাদ্রাসার সামনে জিও ব্যাগ ফেলে সেটা চাহিদার তুলনায় কম ছিল। এবছর সে জিও ব্যাগসহ নদীতে অনেক স্থান বিলীন হয়ে গেছে।

 

আল হেরা দাখিল মাদ্রাসা থেকে মাত্র ৪০ গজ দুরে রয়েছে নদী। যে ভাবে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে ভাঙন রোধে জরুরী ভাবে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কয়েক দিনের মধ্যে বিলীন হতে পারে উপজেলার ঐতিয্যবাহী প্রতিষ্ঠানটি। যেখানে প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, আল হেরা দাখিল মাদ্রাসাসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মাদ্রাসা, কবরস্থান,হাজার একর ফসলি জমি ও বসতঘর সহ বিলীন হয়ে যাচ্ছে মধুমতি নদীতে। গত তিন বছর ধরে একধারে ভাঙনে চর মাকড়াইল নামের একটি গ্রাম ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। এভাবে ভাঙতে থাকলে চর খোলাবাড়িয়া নামের গ্রামটি আলফাডাঙ্গার মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। তারা ভাঙন রোধে চায় স্থায়ী সমাধান।
আল হেরা দাখিল মাদ্রাসা সুপার মো. আব্দুর রব জানান, আমাদের মাদ্রাসা থেকে মাত্র ৪০ গজ দুরে রয়েছে। আমরা এখন চর ঝুঁকির মধ্যে দিন পার করছি। আমাদের ঐতিয্যবাহি প্রতিষ্ঠানটি রক্ষা না হলে এ অঞ্চলে শিক্ষার মান পিছিয়ে পড়বে। আমরা স্থানীয় বাঁধের জন্য মঙ্গলবার দুপুরে কয়েক গ্রামের প্রায় দুই হাজার লোক নদী পাড়ে ভাঙন কবলিত স্থানে স্থায়ী বাঁধের জন্য মানববন্ধন করেছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা শিক্ষক ও কর্মচারী দিয়ে ১৬ জন রয়েছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বড় উৎকন্ঠায় দিন পার করছে।

 

আল-হেরা মাদরাসার দশম আব্দুল জব্বার ও ফাতেমা খানম জানান, এক মাস পূর্বেও নদী অনেক দুরে ছিল। এখন নদী ভাঙতে ভাঙতে মাদ্রাসার কাছাকাছি চলে আসচ্ছে। এক মাস পর আমাদের ফাইনাল পরিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি ভেঙে যায় তাহলে আমাদের পড়ালেখার মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমারা প্রতিষ্ঠানটি রক্ষা করার জন্য সরকারে সহযোগীতা কামনা করছি। রইচউদ্দিনের মতো একই কথা বললেন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আজিজুল্লাহ ও সাজ্জাদ হোসেন।

 

চর খোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আলমগীর খান জানান, আমার স্কুল থেকে প্রায় ৬০ গজ দুরে নদীর অবস্থান। এই স্কুলে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চাই সরকারের কাছে।

 

চর খোলাবাড়িয়া গ্রামের কৃষক খোকন মিয়া জানান, এ বছর নদী ভাঙনে তার ৫ একর ফসলি জমি ও ৪টি বসতঘর ভেঙে গেছে নদীতে এখন আমি অন্যর জমিতে কোনো রকম ঘর তুলে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

 

কৃষক আব্দুস ছত্তার মিয়া তিনিও চর খোলাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে দুই একর ফসলি জমি ও তিনটি ঘর। অনন্ত ২০ জন কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের ফসলি জমি ও বসতঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তারা বাপ-দাদার ভিটে ছাড়তে চায় না। তারা একটি স্থায়ী বাঁধের দাবি করেন।

 

দিগনগর গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানান, আমাদের এলাকা গত তিন বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। গত বছর ভাঙন রোধে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। এ বছর সেটাও বিলীন হয়ে গেছে। আমরা এর একটি স্থায়ী সমাধান চাই।

 

বুড়াইচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমান আব্দুল ওহাব পান্নু জানান, ‘আমাদের ইউনিয়নের দিগনগর,চর খোলাবাড়িয়া ও চর মাকড়াইল গ্রাম তিনটি নদীতে বিলীন হতে বসেছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। আমরা এর একটি স্থায়ী সমাধান চাই। এ বছর যে ভাবে নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে তাতে করে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ফসলি জমি শত শত বসতঘর নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু বসতঘর ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। জরুরী ভিত্তিক এর একটি সমাধান চাই আমরা’।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) সহকারী কমিশনার (ভূমি) একেএম রায়হানুর রহমান জানান, ‘স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন জরুরী ভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করা হবে’।

 

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিব হোসেন জানান, ‘ভাঙন কবলিত স্থানে জরুরী ভিত্তিক আগামী দুই দিনের মধ্যে জিও ব্যাগ ফেলা হবে। স্থায়ী বাঁধ করতে সময় লাগবে’।