ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারি হাইকমিশনে হামলা ও জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে যশোর জেলা বিএনপির বিক্ষোভ

ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারি হাইকমিশনে হামলা- ভাংচুর ও জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় ‘মানুষ বাঁচাও দেশ বাঁচাও’- স্লোগানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি সবসময় রাজপথে অবিচল ছিল, অবিচল থাকবে। এক মুহূর্তের জন্য রাজপথ ছেড়ে যাবে না।

 

আওয়ামী স্বৈরাচারের দোসররা দেশ এবং দেশের জনগণকে আবারো বিপদের মুখে ঠেলে দিতে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। এ সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।’ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিএনপির লালদীঘি পাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা বিএনপি’র আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

 

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরো বলেন, ‘মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর দেশে যে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে বিজয় অর্জন করতে হলে জনগণের আস্থা এবং আচরণ দিয়েই অর্জন করতে হবে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা গত ১৬ বছর দেশে যে অত্যাচার, নির্যাতন- নিপীড়ন চালিয়েছে তার বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোন আওয়ামী দোসর যাতে আর ফিরতে না পারে তার জন্য বিএনপি’র প্রতিটি নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে।’

 

আওয়ামী স্বৈরাচারের ভোটারবিহীন নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘তারা দিনের ভোট রাতে করেছে। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। ২০১৮ নির্বাচনের আগে যশোরে বিএনপির ৫’শ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে। ৯৪ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। সারা দেশে ৭’শ নেতাকর্মী কে গুম করেছে। ৬০ লক্ষাধিক মামলার পাহাড় গড়ে তুলেছে। বিএনপির এমন কোন নেতা কর্মী নেই যে তারা কারাগারে যায়নি। এখনো তারা দেশে বিদেশে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। যেকোনো মূল্যে তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমির ফয়সাল প্রমুখ। সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল যশোর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিজেএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনোনীত

error: Content is protected !!

আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারি হাইকমিশনে হামলা ও জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে যশোর জেলা বিএনপির বিক্ষোভ

আপডেট টাইম : ১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪
কাজী নূর, যশোর জেলা প্রতিনিধি :

ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারি হাইকমিশনে হামলা- ভাংচুর ও জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় ‘মানুষ বাঁচাও দেশ বাঁচাও’- স্লোগানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি সবসময় রাজপথে অবিচল ছিল, অবিচল থাকবে। এক মুহূর্তের জন্য রাজপথ ছেড়ে যাবে না।

 

আওয়ামী স্বৈরাচারের দোসররা দেশ এবং দেশের জনগণকে আবারো বিপদের মুখে ঠেলে দিতে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। এ সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।’ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিএনপির লালদীঘি পাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যশোর জেলা বিএনপি’র আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

 

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরো বলেন, ‘মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর দেশে যে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে বিজয় অর্জন করতে হলে জনগণের আস্থা এবং আচরণ দিয়েই অর্জন করতে হবে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা গত ১৬ বছর দেশে যে অত্যাচার, নির্যাতন- নিপীড়ন চালিয়েছে তার বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোন আওয়ামী দোসর যাতে আর ফিরতে না পারে তার জন্য বিএনপি’র প্রতিটি নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে।’

 

আওয়ামী স্বৈরাচারের ভোটারবিহীন নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘তারা দিনের ভোট রাতে করেছে। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। ২০১৮ নির্বাচনের আগে যশোরে বিএনপির ৫’শ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে। ৯৪ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। সারা দেশে ৭’শ নেতাকর্মী কে গুম করেছে। ৬০ লক্ষাধিক মামলার পাহাড় গড়ে তুলেছে। বিএনপির এমন কোন নেতা কর্মী নেই যে তারা কারাগারে যায়নি। এখনো তারা দেশে বিদেশে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। যেকোনো মূল্যে তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমির ফয়সাল প্রমুখ। সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল যশোর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।