দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
১৬৮
বার পঠিত
সাদুল্লাপুর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক গ্রেফতার
আশরাফুজ্জামান সরকারঃ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক শহীদুল্লাহেল কবির ফারুক (৫০) কে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। ১৩ অক্টোবর সোমবার রাতে গাইবান্ধা পৌর শহরের জেলা পরিষদের সামন থেকে তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সদর থানা পুলিশ। আটককৃত শহীদুল্যাহেল কবীর ফারুক সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢোলভাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক। সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের তালুক হরিদাস গ্রামের সাবেক বিডিআর সদস্য মোশাররফ হোসেন নওশার ছেলে। এর আগে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর গাইবান্ধা জেলা শহরের পলাশপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় সদর থানা পুলিশ। কয়েকদিন পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার গণমাধ্যমকে জানান, গত ২৬ আগস্ট জেলা বিএনপি ও যুবদলের অফিসে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শহীদুল্যাহেল কবীর ফারুকের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ওই মামলায় পূর্বেও তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অফিসার ইনচার্জ আরও জানান, জামিনের পর থেকে ফারুক প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছিলেন এবং বিভিন্ন নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে এক অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও তিনি জানান, ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে দুপুরে আদালতে হাজির করা হবে।
আশরাফুজ্জামান সরকারঃ
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক শহীদুল্লাহেল কবির ফারুক (৫০) কে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ।
১৩ অক্টোবর সোমবার রাতে গাইবান্ধা পৌর শহরের জেলা পরিষদের সামন থেকে তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সদর থানা পুলিশ।
আটককৃত শহীদুল্যাহেল কবীর ফারুক সাদুল্লাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢোলভাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক। সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের তালুক হরিদাস গ্রামের সাবেক বিডিআর সদস্য মোশাররফ হোসেন নওশার ছেলে।
এর আগে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর গাইবান্ধা জেলা শহরের পলাশপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় সদর থানা পুলিশ। কয়েকদিন পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।
এবিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার গণমাধ্যমকে জানান, গত ২৬ আগস্ট জেলা বিএনপি ও যুবদলের অফিসে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় শহীদুল্যাহেল কবীর ফারুকের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ওই মামলায় পূর্বেও তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
অফিসার ইনচার্জ আরও জানান, জামিনের পর থেকে ফারুক প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছিলেন এবং বিভিন্ন নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে এক অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও তিনি জানান, ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে দুপুরে আদালতে হাজির করা হবে।