ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

আমতলীতে জনসাধারনের চলাচলের পাকা সড়ক কেটে খাল কাটার অভিযোগ!

বরগুনার  আমতলীতে পশ্চিম গাজীপুর গ্রামের ১৯৬৯ সালের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ভেরীবাঁধ পাকা রাস্তা কেটে রেকর্ডিও জমিতে খাল কাটার অভিযোগ করেন আজহার উদ্দিনের ছেলে রেজাউল মাস্টার।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম গাজীপুর এলাকার জনসাধারণকে ভয়বাহ বন্যা ও জলোচ্ছস থেকে গাজীপুর গ্রামকে রক্ষা করবে। বৃষ্টির পানির জলাবদ্ধতা থেকে এলাকার কৃষি জমি রক্ষা করার জন্য একই সময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক একটি ফ্লাসিং সুইজ গেট নির্মাণ করেন। কিন্তু এলাকার কিছু প্রভাবশালী লোক ঐ ফ্লাসিংইজ গেটের মুখ দখল করে ঘর-বাড়ী নির্মাণ করেছেন এবং ফ্লাসিং সুইজের পানি উঠানামার জন্য খাল বা নালা দখল করে চাষাবাদ করিতেছেন।
 এ কারণে পশ্চিম গাজীপুর গ্রামের কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। যার কারণে পশ্চিম গাজীপুর গ্রামে ঘর-বাড়ী ও কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। স¤প্রতি কিছু সংখ্যক ব্যক্তিরা ব্যক্তিগত নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য একটি প্রভাবশালী মহল মৃত আজাহার উদ্দিন মাষ্টারের বাড়ীর নিকট দিয়ে পটুয়াখালী-আমতলী মহাসড়ক থেকে গাজীপুর-গলাচিপা ধানখালী সংযোগ সড়কের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ভেরীবাঁধটি পাকা রাস্তাা দিয়ে প্রতিদিন শতশত বিভিন্ন ধরনের যানবহন ও হাজার হাজার জনসাধারণ চলাচল করে।
এবিষয় রেজাউল করিম বলেন, গাজিপুর – গলাচিপা ধানখালী সংযোগ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেরিবাঁধের পাকা রাস্তা কেটে এবং পাকা রাস্তায় বেড়া  দিয়ে চলা বিঘœ সৃষ্টি করেন স্থানীয়  প্রভাবশালী সফিউল ইসলাম, মজিবুর মৃধাসহ একাধিক লোকজন। তারা কৌশলে আমাদের  রেকর্ডিও  জমি ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য রাস্তাা কেটে খাল খনন করতেছে।
 ফ্লাসিংইজগেট খুলে দেয়ার দাবী:
অপরদিকে  উপজেলার পশ্চিমগাজীপুর  গ্রামে  পানি উন্নয়ন বের্ড কর্তৃক নির্মিত  ফ্লাসিং ¯ইজগেট দখল করে  রাখায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
জানাগেছে ১৯৬৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক  পশ্চিম গাজীপুর  গ্রামের জনসাধারনকে বন্যা জলোচ্ছাবাস থেকে রক্ষার জন্য বেড়ি বাঁধ নির্মান করেন  এবং একই সাথে পশ্চিম গাজীপুর গ্রামের জনসাধারনের কৃষি জমিতে যাতে বর্ষাও সময় জলাবদ্ধতা না দেখা দেয় সেই জন্য একটি ফ্লাসিং ¯ইজগেট নির্মান করেন।
কিন্তু এলাকার কিছু প্রভাবশালীরা ঐ ফ্লাসিং সুøইজগেট দখল কাে বাড়ী ঘর করে পানি চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায়  পশ্চিমগাজীপুর গ্রামে এই বর্ষায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।  ভুক্তভোগি অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আজিজুল হক রত্তন মাষ্টার বলেন, এই জলাবদ্ধতা দুর করার জন্য এলাকার কিছু সুবিদাবাদী লোক সুযোগ বুঝে  আমতলী. গাজীপুর, ধানখালী, গলাচিপা সড়কের রত্তন মাষ্টারের বাড়ীর নিকট দিয়ে সড়ক কেটে পানি সরানোর জন্য  উঠে পড়ে লেঘেছে। উল্লেখ্য এই বন্যানিয়ন্ত্রন বাধের উপর দিয়েই এই সড়কটি অবস্থিত।এলাকার কিছু লোক ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করার জন্য   আমার বাড়ীর নিকট দিয়ে সড়ক কেটে পানি নামাতে চায় ।
যেখান দিয়া বন্যানিয়ন্ত্রন বাধ কাটা হচ্ছে সেখান থেকে   ৫০০/৬০০ ফিট দুরে ফ্লাসিংইজগেট রয়েছে  এমন দাবী রত্তন মাষ্টারের।  রত্তন মাষ্টার আরো বলেন,  এখান দিয়ে  সড়ক কাটায়   বন্যা জলোচ্ছ¡াসের ঝুঁকিতে পড়বে পশ্চিমগাজীপুরসহ কয়েকটি গ্রাম ও আমতলী গাজীপুর সড়কের কুকুয়াহাট সলগ্ন বেইলি ব্রিজটি। আজিজুল হক রত্তন মাষ্টার সহ এলাকাবাসী  ফ্লাসিং ¯ইজগেট খুলে দেয়ার দাবী জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।
 এব্যাপারে জানতে চাইলে  সফিউল ইসলাম, মজিবুর মৃধা কোন কথা বলবেন না বলে জানান।
 এ ব্যাপারে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আশরাফুল আলম বলেন সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

error: Content is protected !!

আমতলীতে জনসাধারনের চলাচলের পাকা সড়ক কেটে খাল কাটার অভিযোগ!

আপডেট টাইম : ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪
মোঃ ইমরান হোসাইন, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি :
বরগুনার  আমতলীতে পশ্চিম গাজীপুর গ্রামের ১৯৬৯ সালের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ভেরীবাঁধ পাকা রাস্তা কেটে রেকর্ডিও জমিতে খাল কাটার অভিযোগ করেন আজহার উদ্দিনের ছেলে রেজাউল মাস্টার।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম গাজীপুর এলাকার জনসাধারণকে ভয়বাহ বন্যা ও জলোচ্ছস থেকে গাজীপুর গ্রামকে রক্ষা করবে। বৃষ্টির পানির জলাবদ্ধতা থেকে এলাকার কৃষি জমি রক্ষা করার জন্য একই সময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক একটি ফ্লাসিং সুইজ গেট নির্মাণ করেন। কিন্তু এলাকার কিছু প্রভাবশালী লোক ঐ ফ্লাসিংইজ গেটের মুখ দখল করে ঘর-বাড়ী নির্মাণ করেছেন এবং ফ্লাসিং সুইজের পানি উঠানামার জন্য খাল বা নালা দখল করে চাষাবাদ করিতেছেন।
 এ কারণে পশ্চিম গাজীপুর গ্রামের কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। যার কারণে পশ্চিম গাজীপুর গ্রামে ঘর-বাড়ী ও কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। স¤প্রতি কিছু সংখ্যক ব্যক্তিরা ব্যক্তিগত নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য একটি প্রভাবশালী মহল মৃত আজাহার উদ্দিন মাষ্টারের বাড়ীর নিকট দিয়ে পটুয়াখালী-আমতলী মহাসড়ক থেকে গাজীপুর-গলাচিপা ধানখালী সংযোগ সড়কের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ভেরীবাঁধটি পাকা রাস্তাা দিয়ে প্রতিদিন শতশত বিভিন্ন ধরনের যানবহন ও হাজার হাজার জনসাধারণ চলাচল করে।
এবিষয় রেজাউল করিম বলেন, গাজিপুর – গলাচিপা ধানখালী সংযোগ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেরিবাঁধের পাকা রাস্তা কেটে এবং পাকা রাস্তায় বেড়া  দিয়ে চলা বিঘœ সৃষ্টি করেন স্থানীয়  প্রভাবশালী সফিউল ইসলাম, মজিবুর মৃধাসহ একাধিক লোকজন। তারা কৌশলে আমাদের  রেকর্ডিও  জমি ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য রাস্তাা কেটে খাল খনন করতেছে।
 ফ্লাসিংইজগেট খুলে দেয়ার দাবী:
অপরদিকে  উপজেলার পশ্চিমগাজীপুর  গ্রামে  পানি উন্নয়ন বের্ড কর্তৃক নির্মিত  ফ্লাসিং ¯ইজগেট দখল করে  রাখায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
জানাগেছে ১৯৬৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক  পশ্চিম গাজীপুর  গ্রামের জনসাধারনকে বন্যা জলোচ্ছাবাস থেকে রক্ষার জন্য বেড়ি বাঁধ নির্মান করেন  এবং একই সাথে পশ্চিম গাজীপুর গ্রামের জনসাধারনের কৃষি জমিতে যাতে বর্ষাও সময় জলাবদ্ধতা না দেখা দেয় সেই জন্য একটি ফ্লাসিং ¯ইজগেট নির্মান করেন।
কিন্তু এলাকার কিছু প্রভাবশালীরা ঐ ফ্লাসিং সুøইজগেট দখল কাে বাড়ী ঘর করে পানি চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায়  পশ্চিমগাজীপুর গ্রামে এই বর্ষায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।  ভুক্তভোগি অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আজিজুল হক রত্তন মাষ্টার বলেন, এই জলাবদ্ধতা দুর করার জন্য এলাকার কিছু সুবিদাবাদী লোক সুযোগ বুঝে  আমতলী. গাজীপুর, ধানখালী, গলাচিপা সড়কের রত্তন মাষ্টারের বাড়ীর নিকট দিয়ে সড়ক কেটে পানি সরানোর জন্য  উঠে পড়ে লেঘেছে। উল্লেখ্য এই বন্যানিয়ন্ত্রন বাধের উপর দিয়েই এই সড়কটি অবস্থিত।এলাকার কিছু লোক ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করার জন্য   আমার বাড়ীর নিকট দিয়ে সড়ক কেটে পানি নামাতে চায় ।
যেখান দিয়া বন্যানিয়ন্ত্রন বাধ কাটা হচ্ছে সেখান থেকে   ৫০০/৬০০ ফিট দুরে ফ্লাসিংইজগেট রয়েছে  এমন দাবী রত্তন মাষ্টারের।  রত্তন মাষ্টার আরো বলেন,  এখান দিয়ে  সড়ক কাটায়   বন্যা জলোচ্ছ¡াসের ঝুঁকিতে পড়বে পশ্চিমগাজীপুরসহ কয়েকটি গ্রাম ও আমতলী গাজীপুর সড়কের কুকুয়াহাট সলগ্ন বেইলি ব্রিজটি। আজিজুল হক রত্তন মাষ্টার সহ এলাকাবাসী  ফ্লাসিং ¯ইজগেট খুলে দেয়ার দাবী জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।
 এব্যাপারে জানতে চাইলে  সফিউল ইসলাম, মজিবুর মৃধা কোন কথা বলবেন না বলে জানান।
 এ ব্যাপারে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আশরাফুল আলম বলেন সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রিন্ট