ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ইতালিতে ইদ্রিস ফরাজিকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান Logo রেললাইনে ছবি তুলতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মা ও মেয়ে নিহত Logo দুই বঙ্গকন্যা ব্রিটিশ মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াতে বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের আনন্দ সভা ও মিষ্টি বিতরন Logo স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটস হবে আলোকবর্তিকাঃ -এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী Logo বাঘায় ৬০০ (ছয়শত) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ রাজিব গ্রেফতার Logo গোয়ালন্দে চরমপন্থী দলের সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা Logo মাছের উপজেলায় মাছ নেই Logo কুষ্টিয়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা Logo নড়াইলের স্মার্ট লোহাগড়া গড়ার লক্ষ্যে সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসুচির উদ্বোধন Logo স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির উদ্যোগে চেক ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন।

ফরিদপুরের সদরপুরের রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

- ফরিদপুরের সদরপুরে ঘূর্ণিঝড় মিধিলায় মাটিতে নুয়ে পড়া রোপা আমন ধান।

চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনে ফরিদপুরের সদরপুরের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছিল । কিন্তু সেই হাসিতে বাঁধ সেধেছে ঘূর্ণিঝড় মিধিলা। গত দু’দিনে মিধিলার ঝড়োবৃষ্টিতে পাকা আমন ধানের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিশেষ করে যে ধান এখনও ক্ষেতেই রয়ে গেছে, কেটে ঘরে তোলা হয়নি। উপজেলার মটুকচর, মজুমদার বাজার, খেজুরতলা চৈতার কোল, ঢেউখালী এলাকায় সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহকালে এই প্রতিবেদক দেখেন, অনেক ক্ষেতের ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। অনেকে পাকা ধান কেটে ক্ষেতেই রেখে দিয়েছেন, কাটা ধান অকাল বৃষ্টির পানিতে ভিজে রয়েছে।

 

মটুকচরের কৃষক বাতেন মুন্সী জানান, আমি ৫ বিঘা জমিতে রোপা আমন করেছি। মিধিলায় আমার ক্ষেতের কিছু পাকা ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। আশেপাশের অনেকের ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। নুয়ে পড়া ধানে পুষ্টতা আসে না। বেশিরভাগ চিটা হয়ে যায়। এটাই চিন্তার কারণ।

 

উপজেলার মজুমদার বাজার গ্রামের কৃষক সায়াদ জানান যে তার জমিতে নামিতে ধান রোপন করা হয়েছিল। আর দশ বারো দিন গেলে পুরোপুরি পেকে যেত। এই অবস্থায় দুইদিনের ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষেতের কিছু ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। ক্ষতি যা হবার তাতো এড়ানো যাবে না।ঢেউখালী গ্রামের হাসান জানান, তারও কিছু পাকা ধান নুয়ে পড়েছে। নুয়ে পড়া ধান ঘরে তুলতে খরচ বেড়ে যায়। সাধারণত যেখানে ৪টা কৃষাণ (লেবার) লাগে, নুয়ে পড়া ধান কাটতে ৬টা লাগে।

 

 

এ ব্যাপারে সদরপুর উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার ইসমাইল শরীফ জানান চলতি মৌসুমে সদরপুর উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে মোট ৬২৯১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে৷ অনুকুল আবহাওয়া, সময়মতো সার ও বীজ বপন, সঠিক পরিচর্চার কারণে আশানুরূপ ফলন হয়েছে। লক্ষমাত্রা পূরণ হবার পথেই ছিল। কিন্তু প্রকৃতির উপর কারও হাত নেই। ঘূর্ণিঝড় মিধিলার কারণে ক্ষেতে থাকা ১০ শতাংশ পাকা ধানের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা। যদি আর বৃষ্টি না হয় তবে বাকী ধান ঠিকমতো তুলতে পারবে এবং কৃষকদের সামান্য ক্ষতি হলেও তেমন প্রভাব পড়বে না।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালিতে ইদ্রিস ফরাজিকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান

error: Content is protected !!

ফরিদপুরের সদরপুরের রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট টাইম : ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনে ফরিদপুরের সদরপুরের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছিল । কিন্তু সেই হাসিতে বাঁধ সেধেছে ঘূর্ণিঝড় মিধিলা। গত দু’দিনে মিধিলার ঝড়োবৃষ্টিতে পাকা আমন ধানের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিশেষ করে যে ধান এখনও ক্ষেতেই রয়ে গেছে, কেটে ঘরে তোলা হয়নি। উপজেলার মটুকচর, মজুমদার বাজার, খেজুরতলা চৈতার কোল, ঢেউখালী এলাকায় সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহকালে এই প্রতিবেদক দেখেন, অনেক ক্ষেতের ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। অনেকে পাকা ধান কেটে ক্ষেতেই রেখে দিয়েছেন, কাটা ধান অকাল বৃষ্টির পানিতে ভিজে রয়েছে।

 

মটুকচরের কৃষক বাতেন মুন্সী জানান, আমি ৫ বিঘা জমিতে রোপা আমন করেছি। মিধিলায় আমার ক্ষেতের কিছু পাকা ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। আশেপাশের অনেকের ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। নুয়ে পড়া ধানে পুষ্টতা আসে না। বেশিরভাগ চিটা হয়ে যায়। এটাই চিন্তার কারণ।

 

উপজেলার মজুমদার বাজার গ্রামের কৃষক সায়াদ জানান যে তার জমিতে নামিতে ধান রোপন করা হয়েছিল। আর দশ বারো দিন গেলে পুরোপুরি পেকে যেত। এই অবস্থায় দুইদিনের ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষেতের কিছু ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। ক্ষতি যা হবার তাতো এড়ানো যাবে না।ঢেউখালী গ্রামের হাসান জানান, তারও কিছু পাকা ধান নুয়ে পড়েছে। নুয়ে পড়া ধান ঘরে তুলতে খরচ বেড়ে যায়। সাধারণত যেখানে ৪টা কৃষাণ (লেবার) লাগে, নুয়ে পড়া ধান কাটতে ৬টা লাগে।

 

 

এ ব্যাপারে সদরপুর উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার ইসমাইল শরীফ জানান চলতি মৌসুমে সদরপুর উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে মোট ৬২৯১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে৷ অনুকুল আবহাওয়া, সময়মতো সার ও বীজ বপন, সঠিক পরিচর্চার কারণে আশানুরূপ ফলন হয়েছে। লক্ষমাত্রা পূরণ হবার পথেই ছিল। কিন্তু প্রকৃতির উপর কারও হাত নেই। ঘূর্ণিঝড় মিধিলার কারণে ক্ষেতে থাকা ১০ শতাংশ পাকা ধানের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা। যদি আর বৃষ্টি না হয় তবে বাকী ধান ঠিকমতো তুলতে পারবে এবং কৃষকদের সামান্য ক্ষতি হলেও তেমন প্রভাব পড়বে না।