ঢাকা , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

জমিয়তের সভাপতি-মহাসচিবসহ সব নেতা ধরাশায়ী

-উবায়দুল্লাহ ফারুক, জুনায়েদ আল হাবীব ও মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী।

সময়ের প্রত্যাশা ডেস্কঃ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করেছিল বিএনপি। এর মধ্যে অন্যতম ছিল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। ইসলামপন্থি দলটিকে চারটি আসন ছেড়েছিল তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী দল।

 

আসনগুলো হলো— নীলফামারী-১, নারায়ণগঞ্জ-৪, সিলেট-৫ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২। এর মধ্যে সিলেট-৫ (কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ) আসনে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনে সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, নীলফামারী-১ (ডিমলা ও ডোমার) আসনে মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে দলটির জেলা সভাপতি মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী প্রার্থী হয়েছিলেন।

 

তারা সবাই বিএনপির পূর্ণ সমর্থন সত্ত্বেও জয় ঘরে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটে তারা সবাই প্রতিপক্ষের কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জমিয়ত সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুক সিলেট-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিস নেতা মুফতি আবুল হাসানের দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের কাছে হেরে গেছেন।

 

আবুল হাসান পেয়েছেন ৪৪ হাজার ১৮১ ভোট, অপরদিকে জমিয়তের উবায়দুল্লাহ ফারুক খেজুরগাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২০ হাজার ৬৬০ ভোট।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রুমিন ফারহানার হাঁস প্রতীকের কাছে হেরে গেছেন খেজুরগাছের কাণ্ডারি জমিয়তের সহসভাপতি জুনায়েদ হাবীব। এখানে রুমিন ফারহানা পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জুনায়েদ হাবিব পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।

 

নীলফামারী-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আবদুস সাত্তার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট শরিক জমিয়তের মহাসচিব মনজুরুল ইসলাম খেজুর গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ১৬০ ভোট।

 

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত জোটের শরিক এনসিপির প্রার্থী আবদুলাহ আল আমিন শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৪ হাজার ৪৮২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তের মনির হোসাইন কাসেমী পেয়েছেন ৮০ হাজার ১৩৮ ভোট।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুর জেলায় ‘নির্যাতিত মটর শ্রমিক একতা ঐক্য সমগ্র বাংলাদেশ’-এর কমিটি গঠন

error: Content is protected !!

জমিয়তের সভাপতি-মহাসচিবসহ সব নেতা ধরাশায়ী

আপডেট টাইম : ২২ ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক :

সময়ের প্রত্যাশা ডেস্কঃ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করেছিল বিএনপি। এর মধ্যে অন্যতম ছিল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। ইসলামপন্থি দলটিকে চারটি আসন ছেড়েছিল তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী দল।

 

আসনগুলো হলো— নীলফামারী-১, নারায়ণগঞ্জ-৪, সিলেট-৫ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২। এর মধ্যে সিলেট-৫ (কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ) আসনে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনে সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, নীলফামারী-১ (ডিমলা ও ডোমার) আসনে মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে দলটির জেলা সভাপতি মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী প্রার্থী হয়েছিলেন।

 

তারা সবাই বিএনপির পূর্ণ সমর্থন সত্ত্বেও জয় ঘরে তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটে তারা সবাই প্রতিপক্ষের কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জমিয়ত সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুক সিলেট-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিস নেতা মুফতি আবুল হাসানের দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের কাছে হেরে গেছেন।

 

আবুল হাসান পেয়েছেন ৪৪ হাজার ১৮১ ভোট, অপরদিকে জমিয়তের উবায়দুল্লাহ ফারুক খেজুরগাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২০ হাজার ৬৬০ ভোট।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রুমিন ফারহানার হাঁস প্রতীকের কাছে হেরে গেছেন খেজুরগাছের কাণ্ডারি জমিয়তের সহসভাপতি জুনায়েদ হাবীব। এখানে রুমিন ফারহানা পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জুনায়েদ হাবিব পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।

 

নীলফামারী-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আবদুস সাত্তার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট শরিক জমিয়তের মহাসচিব মনজুরুল ইসলাম খেজুর গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ১৬০ ভোট।

 

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত জোটের শরিক এনসিপির প্রার্থী আবদুলাহ আল আমিন শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৪ হাজার ৪৮২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তের মনির হোসাইন কাসেমী পেয়েছেন ৮০ হাজার ১৩৮ ভোট।


প্রিন্ট