ঢাকা , সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা

রনি রজবঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা ও সম্ভাবনা দুটোই বেশি। এখানকার মাটি রেশম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এটি বাংলাদেশের প্রায় ৭৫% রেশম উৎপাদন করে।

সরকারি সহায়তা (যেমন: তুঁত চারা ও উপকরণ) এবং বিনা খরচে অধিক লাভের কারণে চাষিরা রেশম চাষে আগ্রহী। যদিও সুতার আমদানি নির্ভরতা আগের তুলনায় কিছুটা কমে যাওয়ায় ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

এই শিল্প গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

চাহিদা ও ঐতিহ্য ও পরিচিতিঃ ভোলাহাট রেশম চাষের ‘মাতৃভূমি’ হিসেবে পরিচিত এবং এটি এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ঐতিহ্য।

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিঃ কম খরচে বেশি লাভ এবং সরকারি সহায়তা (যেমন বিনামূল্যে তুঁত চারা ও উপকরণ) পাওয়ায় চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

কর্মসংস্থানঃ এটি স্থানীয় বহু পরিবারে, বিশেষত নারী ও ভূমিহীনদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।

রেকর্ড উৎপাদনঃ অনুকূল পরিবেশ ও চাষিদের আগ্রহের কারণে ভোলাহাটে রেশম উৎপাদন রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

বর্তমান অবস্থা ও চ্যালেঞ্জঃ

উত্থান-পতনঃ একসময় ব্যাপক উৎপাদন হলেও, কিছু কারণে (যেমন ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, উদাসীনতা) চাষ কমে গিয়েছিল, যা এখন আবার বাড়ছে।

আমদানি নির্ভরতাঃ রেশম বস্ত্রের সুতা এখনো আমদানিনির্ভর, যা একটি চ্যালেঞ্জ।

সরকারি উদ্যোগঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড তুঁত গাছ ও উপকরণ সরবরাহ করে চাষিদের সহায়তা করছে, যা এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করছে।

সামগ্রিক চিত্রঃ

ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, জাতীয় পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দেশের রেশম সরবরাহের একটি বড় অংশ যোগান দেয় এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে সাহায্য করে।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

শালিখায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা, মাদ্রাসা সুপারের ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নিল চক্র

error: Content is protected !!

ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা

আপডেট টাইম : ০২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
রনি রজব, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি :

রনি রজবঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা ও সম্ভাবনা দুটোই বেশি। এখানকার মাটি রেশম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এটি বাংলাদেশের প্রায় ৭৫% রেশম উৎপাদন করে।

সরকারি সহায়তা (যেমন: তুঁত চারা ও উপকরণ) এবং বিনা খরচে অধিক লাভের কারণে চাষিরা রেশম চাষে আগ্রহী। যদিও সুতার আমদানি নির্ভরতা আগের তুলনায় কিছুটা কমে যাওয়ায় ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

এই শিল্প গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

চাহিদা ও ঐতিহ্য ও পরিচিতিঃ ভোলাহাট রেশম চাষের ‘মাতৃভূমি’ হিসেবে পরিচিত এবং এটি এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ঐতিহ্য।

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিঃ কম খরচে বেশি লাভ এবং সরকারি সহায়তা (যেমন বিনামূল্যে তুঁত চারা ও উপকরণ) পাওয়ায় চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

কর্মসংস্থানঃ এটি স্থানীয় বহু পরিবারে, বিশেষত নারী ও ভূমিহীনদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।

রেকর্ড উৎপাদনঃ অনুকূল পরিবেশ ও চাষিদের আগ্রহের কারণে ভোলাহাটে রেশম উৎপাদন রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

বর্তমান অবস্থা ও চ্যালেঞ্জঃ

উত্থান-পতনঃ একসময় ব্যাপক উৎপাদন হলেও, কিছু কারণে (যেমন ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, উদাসীনতা) চাষ কমে গিয়েছিল, যা এখন আবার বাড়ছে।

আমদানি নির্ভরতাঃ রেশম বস্ত্রের সুতা এখনো আমদানিনির্ভর, যা একটি চ্যালেঞ্জ।

সরকারি উদ্যোগঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড তুঁত গাছ ও উপকরণ সরবরাহ করে চাষিদের সহায়তা করছে, যা এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করছে।

সামগ্রিক চিত্রঃ

ভোলাহাটে রেশম চাষের চাহিদা শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, জাতীয় পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দেশের রেশম সরবরাহের একটি বড় অংশ যোগান দেয় এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে সাহায্য করে।


প্রিন্ট