ঢাকা , বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ করলেন উপ-পরিচালক

অপি মুন্সীঃ

 

মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বালিগ্রাম, কাজীবাকাই ও ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ও নথিপত্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মাদারীপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) জনাব মোছাঃ জেসমিন আকতার বানু।

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, গ্রাম আদালতের বিচার্য কোনো মামলাই শালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে না। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত এজলাসে বসেই গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং সকল নথি ও রেজিস্টার হালনাগাদ রাখতে হবে।
পরিদর্শনে উঠে আসে, বালিগ্রাম ইউনিয়নে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৩টি মামলা দায়ের হয় এবং সবগুলো মামলাই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

 

কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদে একই সময়ে মোট ৬৬টি মামলা দায়ের হয়, যার সবগুলোই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এখানে আদায়কৃত মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা।

অন্যদিকে ডাসার ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প শুরু থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৪৪টি মামলা দায়ের হয় এবং উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত ১টিসহ মোট ৪৫টি মামলাই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে ক্ষতিপূরণ আদায়ের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭ হাজার টাকা।
উপ-পরিচালক আরও জানান, ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অনধিক তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। এ আদালতে দেওয়ানি মামলার ফি মাত্র ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার ফি ১০ টাকা। এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন নেই। তিনি নির্ধারিত দিনে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের শুনানি কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা দেন।

 

পরিদর্শন শেষে তিনি তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মামলার আবেদন ও নিষ্পত্তির হার আরও বাড়ানোর পরামর্শ দেন। পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় প্রদত্ত এজলাস যথাযথভাবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসি (এলজি), স্থানীয় সরকার শাখা, মাদারীপুর; ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ আল মামুন; ডাসার ও কালকিনি উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর জনাব নাসির উদ্দিন লিটনসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এএসিও, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘায় পলিথিনের পাইপ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৫

error: Content is protected !!

গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ করলেন উপ-পরিচালক

আপডেট টাইম : ০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
অপি মুন্সী, শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি :

অপি মুন্সীঃ

 

মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের ডকুমেন্টেশন পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বালিগ্রাম, কাজীবাকাই ও ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ও নথিপত্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মাদারীপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) জনাব মোছাঃ জেসমিন আকতার বানু।

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, গ্রাম আদালতের বিচার্য কোনো মামলাই শালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে না। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত এজলাসে বসেই গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং সকল নথি ও রেজিস্টার হালনাগাদ রাখতে হবে।
পরিদর্শনে উঠে আসে, বালিগ্রাম ইউনিয়নে প্রকল্প শুরুর পর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৩টি মামলা দায়ের হয় এবং সবগুলো মামলাই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

 

কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদে একই সময়ে মোট ৬৬টি মামলা দায়ের হয়, যার সবগুলোই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এখানে আদায়কৃত মোট ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা।

অন্যদিকে ডাসার ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্প শুরু থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ৪৪টি মামলা দায়ের হয় এবং উচ্চ আদালত থেকে প্রাপ্ত ১টিসহ মোট ৪৫টি মামলাই নিষ্পত্তি ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে ক্ষতিপূরণ আদায়ের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭ হাজার টাকা।
উপ-পরিচালক আরও জানান, ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অনধিক তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। এ আদালতে দেওয়ানি মামলার ফি মাত্র ২০ টাকা এবং ফৌজদারি মামলার ফি ১০ টাকা। এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন নেই। তিনি নির্ধারিত দিনে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের শুনানি কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা দেন।

 

পরিদর্শন শেষে তিনি তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মামলার আবেদন ও নিষ্পত্তির হার আরও বাড়ানোর পরামর্শ দেন। পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় প্রদত্ত এজলাস যথাযথভাবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসি (এলজি), স্থানীয় সরকার শাখা, মাদারীপুর; ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ আল মামুন; ডাসার ও কালকিনি উপজেলা গ্রাম আদালতের কো-অর্ডিনেটর জনাব নাসির উদ্দিন লিটনসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এএসিও, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


প্রিন্ট