ডেস্ক রিপোর্ট:
নিজের জমি বিক্রি করেছেন, আটবার কারাবরণ করেছেন, তবুও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন থেকে এক মুহূর্তের জন্যও সরে যাননি—তিনি সাইজুদ্দিন আহমেদ, কালিয়াকৈর উপজেলা পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
বিগত সাড়ে ১৭ বছর যেন তার জীবনের এক দীর্ঘ অন্ধকার অধ্যায়। নিজ বাড়িতে একাধিকবার পুলিশি হামলা ও ভাঙচুর, ব্যবসা-বাণিজ্য দখল, আর্থিকভাবে কোণঠাসা করা—একজন মানুষকে থামিয়ে দিতে যা যা দরকার, সবই যেন ঘটেছে তার জীবনে। মোট আটবার গ্রেফতার, একটি মামলায় টানা প্রায় ১৮ মাস নির্যাতন—তবুও তিনি ভেঙে পড়েননি, মাথা নত করেননি।
দমন-পীড়নের সময় তিনি ছিলেন রাজপথের সামনের কাতারে—অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক আপসহীন কণ্ঠস্বর। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জনগণের পক্ষে সোচ্চার থাকার কারণেই তাকে বারবার টার্গেট করা হয়েছে। নিজের সম্পদ বিক্রি করে পরিবার নিয়ে কাটিয়েছেন অনিশ্চয়তার দিন। কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন শুধু বৃদ্ধ বাবা-মা ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা।
নির্যাতনের প্রতিটি দাগ আজও তার সংগ্রামের সাক্ষী। তবুও প্রতিহিংসা নয়—মানুষের সেবাই তার একমাত্র লক্ষ্য।
আগামী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে জনগণের কাছে তার আবেগঘন আবেদন— “আমি কষ্ট দেখেছি, মানুষের কষ্ট বুঝি। ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মেয়র হতে চাই। যতদিন বাঁচবো, জনগণের সেবক হয়ে থাকতে চাই।”
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘ দুঃসময় পেরিয়েও মানুষের পাশে থাকার এমন অঙ্গীকার সত্যিই বিরল। এখন দেখার বিষয়, কালিয়াকৈরের জনগণ তাদের এই সন্তানের পাশে কিভাবে দাঁড়ায়।
প্রিন্ট

কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন 
ডেস্ক রিপোর্ট 











