ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

৫২তম বিসিএসও কি বিশেষ হতে যাচ্ছে: সংশয় আর কৌতূহল চাকরিপ্রার্থীদের

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পরীক্ষা হলো বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস। সম্প্রতি নতুন একটি বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি এবং এর ধরন নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন বায়ান্নতম বিসিএস পরীক্ষাটি সাধারণ নিয়মে হবে নাকি কোনো বিশেষ কোটায় পরিচালিত হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন চাকরিপ্রত্যাশী মহলে এই পরীক্ষার প্রকৃতি নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

বিভিন্ন সূত্রে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, বায়ান্নতম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার বা এএসপি পদে বিশেষ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। অতীতেও কিছু বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ক্যাডারে সরাসরি কর্মকর্তা নিয়োগের নজির রয়েছে। তবে এই ধরনের কোনো বিশেষ সিদ্ধান্ত বা প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে এই গুঞ্জন নিয়ে এক ধরনের বিভ্রান্তি ও মানসিক দ্বিধা কাজ করছে।

সাধারণ চাকরিপ্রার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, যদি বায়ান্নতম বিসিএস পরীক্ষাটি বিশেষ বিসিএস হিসেবে নেওয়া হয়, তবে নিয়মিত বা সাধারণ বিসিএস পরীক্ষাগুলো আরও বেশি সময় পিছিয়ে যেতে পারে। এমনিতেই বিভিন্ন পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতার কারণে চাকরিপ্রার্থীরা নির্ধারিত বয়সসীমার মধ্যে প্রস্তুতি শেষ করতে নানা চাপের মুখে পড়েন। তাই সাধারণ বিসিএস নিয়মিতভাবে না হলে তাদের ক্যারিয়ারের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে তারা মনে করছেন।

এই পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে একটি স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ঘোষণা প্রত্যাশা করছেন। তারা চান পিএসসি বা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় যেন দ্রুত এই বিভ্রান্তির অবসান ঘটিয়ে আসন্ন বিসিএস পরীক্ষার রূপরেখা প্রকাশ করে। সঠিক সময়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা থাকলে প্রার্থীরা নিজেদের মতো করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারবেন এবং অপ্রয়োজনীয় উৎকণ্ঠা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

৫২তম বিসিএসও কি বিশেষ হতে যাচ্ছে: সংশয় আর কৌতূহল চাকরিপ্রার্থীদের

আপডেট টাইম : ৩৮ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পরীক্ষা হলো বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস। সম্প্রতি নতুন একটি বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি এবং এর ধরন নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন বায়ান্নতম বিসিএস পরীক্ষাটি সাধারণ নিয়মে হবে নাকি কোনো বিশেষ কোটায় পরিচালিত হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন চাকরিপ্রত্যাশী মহলে এই পরীক্ষার প্রকৃতি নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

বিভিন্ন সূত্রে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, বায়ান্নতম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার বা এএসপি পদে বিশেষ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। অতীতেও কিছু বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ক্যাডারে সরাসরি কর্মকর্তা নিয়োগের নজির রয়েছে। তবে এই ধরনের কোনো বিশেষ সিদ্ধান্ত বা প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে এই গুঞ্জন নিয়ে এক ধরনের বিভ্রান্তি ও মানসিক দ্বিধা কাজ করছে।

সাধারণ চাকরিপ্রার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, যদি বায়ান্নতম বিসিএস পরীক্ষাটি বিশেষ বিসিএস হিসেবে নেওয়া হয়, তবে নিয়মিত বা সাধারণ বিসিএস পরীক্ষাগুলো আরও বেশি সময় পিছিয়ে যেতে পারে। এমনিতেই বিভিন্ন পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতার কারণে চাকরিপ্রার্থীরা নির্ধারিত বয়সসীমার মধ্যে প্রস্তুতি শেষ করতে নানা চাপের মুখে পড়েন। তাই সাধারণ বিসিএস নিয়মিতভাবে না হলে তাদের ক্যারিয়ারের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে তারা মনে করছেন।

এই পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে একটি স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ঘোষণা প্রত্যাশা করছেন। তারা চান পিএসসি বা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় যেন দ্রুত এই বিভ্রান্তির অবসান ঘটিয়ে আসন্ন বিসিএস পরীক্ষার রূপরেখা প্রকাশ করে। সঠিক সময়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা থাকলে প্রার্থীরা নিজেদের মতো করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারবেন এবং অপ্রয়োজনীয় উৎকণ্ঠা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।