দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
হাতিয়ায় মায়ের অনুপস্থিতিতে নানির কাছে থাকা স্কুলছাত্রের করুণ পরিণতি
মোহাম্মদ আবু নাছের: নোয়াখালীর হাতিয়ায় গোসল করতে গিয়ে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্র অনির্বাণ ওরফে স্বর্ণ (১৩) পুকুরে ডুবে মৃত্যুবরণ করেছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত অনির্বাণ উপজেলার আব্দুল মোতালেব উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তার পিতা সুব্রত দাস রাজশাহী জেলার আরালি গ্রামের বাসিন্দা এবং মাতা অনুপমা হাওলাদার হাতিয়া পৌরসভার মাস্টারপাড়া এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মায়ের প্রশিক্ষণের কারণে অনির্বাণ নানির কাছে থেকে পড়াশোনা করছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সে গোসল করতে উপজেলা পরিষদের পুকুরে যায়। কিছু সময়ের পর খুঁজে না পাওয়ায় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং পরে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন জানিয়েছেন, মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে পুরো পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
মোহাম্মদ আবু নাছের:
নোয়াখালীর হাতিয়ায় গোসল করতে গিয়ে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্র অনির্বাণ ওরফে স্বর্ণ (১৩) পুকুরে ডুবে মৃত্যুবরণ করেছেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত অনির্বাণ উপজেলার আব্দুল মোতালেব উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তার পিতা সুব্রত দাস রাজশাহী জেলার আরালি গ্রামের বাসিন্দা এবং মাতা অনুপমা হাওলাদার হাতিয়া পৌরসভার মাস্টারপাড়া এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মায়ের প্রশিক্ষণের কারণে অনির্বাণ নানির কাছে থেকে পড়াশোনা করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সে গোসল করতে উপজেলা পরিষদের পুকুরে যায়। কিছু সময়ের পর খুঁজে না পাওয়ায় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং পরে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন জানিয়েছেন, মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে পুরো পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।