দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪
২১১
বার পঠিত
রহনপুর ট্রানজিট পরিদর্শনে নেপাল দূতাবাস
বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপাল দূতাবাস ঢাকা মিশনের ডেপুটি চিপ ললিতা শাওয়াল সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলবন্দর পরিদর্শন করেছেন। গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় রাজশাহী সার্কিট হাউস থেকে সড়কপথে তিনি রহনপুর রেলবন্দরে পৌঁছান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ২য় সচিব যোজনা বামজান। রহনপুর রেলবন্দরে বাংলাদেশ রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ শাখার উপ-পরিচালক মোঃ মিহরাবুর রশিদ খান, অ্যাসিস্ট্যান্ট চিপ কমার্শিয়াল ম্যানেজার মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী পাকশী মোঃ তারেকুল ইসলাম এবং রহনপুর রেল মাস্টার মোঃ মামুনুর রশীদসহ অন্যান্য রেল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এ সময়, দূতাবাসের কর্মকর্তারা রহনপুর স্টেশন থেকে রেলের টলিতে চড়ে শিবরামপুর সীমান্ত পর্যন্ত পরিদর্শন করেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ শাখার উপ-পরিচালক মো. মিহরাবুর রশিদ খান জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতায় আন্তঃদেশীয় যোগাযোগের জন্য ৫টি ট্রানজিট ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টের মধ্যে রহনপুর ও দিনাজপুর অন্যতম। এই পরিদর্শন মূলত এই পয়েন্ট দিয়ে ব্যবসা বাড়ানোর উপায় খোঁজার জন্য। পরে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান, এই করিডোরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, কারণ এটি বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করছে। এই রুট দিয়ে নেপালে কীটনাশক সার পরিবহণ করা হয়। তিনি আরও জানান, তিনি রেল করিডোর এবং রেলবন্দর ব্যবহারের সুবিধা সম্পর্কে জানার জন্য পরিদর্শনে এসেছেন এবং আশা করছেন যে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা আরও জোরদার হবে। আরও পড়ুনঃ ফরিদপুরে তিন দিনব্যাপী ইজতেমা শুরু পরিদর্শনের পর বিকেলে...
বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপাল দূতাবাস ঢাকা মিশনের ডেপুটি চিপ ললিতা শাওয়াল সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলবন্দর পরিদর্শন করেছেন। গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় রাজশাহী সার্কিট হাউস থেকে সড়কপথে তিনি রহনপুর রেলবন্দরে পৌঁছান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ২য় সচিব যোজনা বামজান।
রহনপুর রেলবন্দরে বাংলাদেশ রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ শাখার উপ-পরিচালক মোঃ মিহরাবুর রশিদ খান, অ্যাসিস্ট্যান্ট চিপ কমার্শিয়াল ম্যানেজার মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী পাকশী মোঃ তারেকুল ইসলাম এবং রহনপুর রেল মাস্টার মোঃ মামুনুর রশীদসহ অন্যান্য রেল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময়, দূতাবাসের কর্মকর্তারা রহনপুর স্টেশন থেকে রেলের টলিতে চড়ে শিবরামপুর সীমান্ত পর্যন্ত পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ শাখার উপ-পরিচালক মো. মিহরাবুর রশিদ খান জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতায় আন্তঃদেশীয় যোগাযোগের জন্য ৫টি ট্রানজিট ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টের মধ্যে রহনপুর ও দিনাজপুর অন্যতম। এই পরিদর্শন মূলত এই পয়েন্ট দিয়ে ব্যবসা বাড়ানোর উপায় খোঁজার জন্য।
পরে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান, এই করিডোরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, কারণ এটি বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করছে। এই রুট দিয়ে নেপালে কীটনাশক সার পরিবহণ করা হয়।
তিনি আরও জানান, তিনি রেল করিডোর এবং রেলবন্দর ব্যবহারের সুবিধা সম্পর্কে জানার জন্য পরিদর্শনে এসেছেন এবং আশা করছেন যে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা আরও জোরদার হবে।