যুক্তরাষ্ট্রসহ ১২ দেশে যাচ্ছে চলনবিলের শুঁটকি
শুঁটকির আকারভেদে দামও ভিন্ন। ছোট আকারের মাছের শুঁটকি প্রতি মণ ১০-২২ হাজার এবং বড় মাছের শুঁটকি ২০-৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আড়ুয়া পাঙ্গাসী এলাকার শুঁটকি ব্যবসায়ী ইউসুফ আলী ফকির। গত বছর তার চাতালে প্রায় ২০০ মণ শুঁটকি উৎপাদন হয়েছিল। এবার তার চেয়ে বেশি শুঁটকি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে এ ব্যবসায়ীর। তার কাছ থেকে ঢাকা ও সৈয়দপুর এলাকার পাইকাররা শুঁটকি কিনে নিয়ে যান।
ইউসুফ আলী জানান, আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ মাস পর্যন্ত শুঁটকি তৈরি হয়। প্রতি মণ তাজা মাছ শুকালে ১৫ কেজি শুঁটকি পাওয়া যায়। এভাবে প্রায় তিন মণ তাজা মাছ শুকালে এক মণ শুঁটকি হয়।
চাতালে শুঁটকি শুকানোর শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন রুবি খাতুন। তিনি বলেন, ‘শুঁটকি ব্যবসায় লাভ যেমন আছে, লোকসানও আছে। ভালোভাবে মাছ শুকানো না হলে পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে ভালো মানের শুঁটকির কদর বেশি। বড় ব্যবসায়ীরা এগুলো কিনে বিদেশে বিক্রি করেন।’

চলনবিলের শুঁটকির সুনাম ও চাহিদা দুটোই রয়েছে বলে জানান সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান।
তিনি বলেন, আমরা শুঁটকির মান বাড়ানোর জন্য চাতাল মালিকদের প্রশিক্ষণ দেই। জেলায় এবার অন্তত ৬০টি চাতালে ৩০২ মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদন হয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় আট কোটি টাকা। গত বছর উৎপাদন হয়েছিল ২৩৫ দশমিক ২৩ মেট্রিক টন। আশা করি, এ অঞ্চলের শুঁটকি ব্যবসা আগামীতে আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে।


শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক 




















