ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির নৌ ভ্রমণ

বাদশাহ মিয়া:

 

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ঐতিহ্যবাহী চান্দার বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে নৌ ভ্রমণের আয়োজন করেছে মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি।

 

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে মুকসুদপুরের কুমার নদী থেকে রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রায় ৫০ সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীকে নিয়ে নৌ ভ্রমণ শুরু হয়।

 

প্রতি বছরের মতো এবারও আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত এ নৌ ভ্রমণে মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষী অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী আয়োজনে সাংবাদিকরা প্রকৃতির সান্নিধ্যে আনন্দঘন সময় কাটান।

 

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চান্দার বিলের সবুজে ঘেরা পরিবেশ, পানিতে ভাসমান শাপলা-পদ্ম এবং চারপাশের গ্রামবাংলার নৈসর্গিক দৃশ্য নৌযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মুগ্ধ করে। প্রকৃতির এমন মনোরম পরিবেশে সাংবাদিকরা একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সময় কাটান।

 

মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে নৌ ভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি লিয়াকত সরদার ও মেহের মামুন, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ পারভেজ জনি, যুগ্ম সম্পাদক মামুন ইসলাম ও খালিদুজ্জামান মুন্সি, সাংগঠনিক সম্পাদক আরটি হাসান, দপ্তর সম্পাদক বাদশাহ মিয়া, অর্থ সম্পাদক ইয়াদ আলী মোল্লা, সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক ইমরান মাতুব্বর, কল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সদস্য সুমন আহমেদ, রাসেল কাজী, হাবিবুর রহমান রাসেলসহ ইউনিটির সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

 

মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি তারিকুল ইসলাম বলেন, “রিপোর্টার্স ইউনিটির সূচনালগ্ন থেকেই প্রতি বছর নৌ ভ্রমণের আয়োজন করা হচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে। ভবিষ্যতেও এ আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।”

 

নৌ ভ্রমণ উপলক্ষে লাকী কুপনের লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে ৮০টি আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির শুভাকাঙ্ক্ষী বদিউজ্জামাল বাদল।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হাসপাতালে রোগীদের মাঝে খাবার বিতরণ

error: Content is protected !!

মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির নৌ ভ্রমণ

আপডেট টাইম : ১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
বাদশাহ মিয়া, মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি :

বাদশাহ মিয়া:

 

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ঐতিহ্যবাহী চান্দার বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে নৌ ভ্রমণের আয়োজন করেছে মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি।

 

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে মুকসুদপুরের কুমার নদী থেকে রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রায় ৫০ সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীকে নিয়ে নৌ ভ্রমণ শুরু হয়।

 

প্রতি বছরের মতো এবারও আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত এ নৌ ভ্রমণে মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষী অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী আয়োজনে সাংবাদিকরা প্রকৃতির সান্নিধ্যে আনন্দঘন সময় কাটান।

 

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চান্দার বিলের সবুজে ঘেরা পরিবেশ, পানিতে ভাসমান শাপলা-পদ্ম এবং চারপাশের গ্রামবাংলার নৈসর্গিক দৃশ্য নৌযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মুগ্ধ করে। প্রকৃতির এমন মনোরম পরিবেশে সাংবাদিকরা একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সময় কাটান।

 

মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে নৌ ভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি লিয়াকত সরদার ও মেহের মামুন, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ পারভেজ জনি, যুগ্ম সম্পাদক মামুন ইসলাম ও খালিদুজ্জামান মুন্সি, সাংগঠনিক সম্পাদক আরটি হাসান, দপ্তর সম্পাদক বাদশাহ মিয়া, অর্থ সম্পাদক ইয়াদ আলী মোল্লা, সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক ইমরান মাতুব্বর, কল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সদস্য সুমন আহমেদ, রাসেল কাজী, হাবিবুর রহমান রাসেলসহ ইউনিটির সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

 

মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি তারিকুল ইসলাম বলেন, “রিপোর্টার্স ইউনিটির সূচনালগ্ন থেকেই প্রতি বছর নৌ ভ্রমণের আয়োজন করা হচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে। ভবিষ্যতেও এ আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।”

 

নৌ ভ্রমণ উপলক্ষে লাকী কুপনের লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে ৮০টি আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে প্রথম পুরস্কার লাভ করেন মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির শুভাকাঙ্ক্ষী বদিউজ্জামাল বাদল।