ঈদুল আযহা উপলক্ষে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় একটি ফ্রিজ কিনে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার পেয়েছেন মাগুরার শালিখা উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামের আতিয়ার মোল্যার ছেলে আলম মোল্যা। রবিবার ২৪ জুলাই সম্প্রতি উপজেলার সীমাখালী ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ বিশ্বাস ইলেকট্রোনিক্স শোরুম থেকে ৩০ হাজার টাকা মূল্যে একটি ফ্রিজ ক্রয় করেন তিনি৷ এরপর লটারী পুরস্কারের মাধ্যমে সে ১ লক্ষ টাকার পণ্য পেয়ে যান৷
পরে গতকাল বিকাল ৫টায় সীমাখালী ওয়ালটন শোরুম থেকে ১ লক্ষ টাকার সমপরিমাণ ১৯টি পণ্য তার হাতে তুলে দেন,ওয়ালটন কম্পানির আর এসএম মোঃ সরোয়ার জাহান যশোর জোন৷ এসময় উপস্থিত ছিলেন, সীমাখালী ওয়ালটন শোরুমের স্বত্বাধিকারি মোঃ আব্দুর সবুর বিশ্বাস,সীমাখালী বাজার ব্যবস্থাপনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল কালাম আজাদ,সহসভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম,জয়দেব বিশ্বাস,রায়হান কবির,সাহজানসহ সীমাখালী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীগন ৷
আরএসএম সরোয়ার জাহান জানান,অনলাইন অটোমেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে ওয়ালটন। এ কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে ঈদ উৎসবে ওয়ালটন ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, গ্যাস স্টোভ, রাইস কুকার ও ফ্যান ক্রয়ে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক এবং কোটি কোটি টাকার পণ্য ফ্রি পাওয়ার সুযোগে করে দিচ্ছে এক মাত্র এই ওয়ালটন কম্পানি৷
তিনি আরোও বলেন, একসময় ইলেকট্রনিক্স পণ্যকে বিলাসী পণ্য বলা হতো। কিন্তু এখন ওয়ালটন তা এমনভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, যাতে এগুলোকে আর বিলাসী পণ্য বলা যায় না। ওয়ালটন দেশেই আন্তর্জাতিক মানের ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন করছে। ভালো মানের পণ্য ও সেবা আর প্রশংসনীয় কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সারা দেশে দারুণ জনপ্রিয় ওয়ালটন। দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ওয়ালটনের মতো দেশীয় কম্পানিগুলোর পাশে আমাদের থাকতে হবে।
সীমাখালী বাজার ব্যবস্থাপনার সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ওয়ালটনের পণ্য কিনে একজন ক্রেতা শুধু নিজের উন্নতি করেন না, তারা দেশের উন্নয়নেও অবদান রাখছেন শুনেছি। ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার মাধ্যমে দেশের টাকা দেশেই থাকছে। দেশীয় ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার অর্থ হলো দেশকে ভালোবাসা। শোরুমের স্বত্বাধিকারি আব্দুর সবুর বিশ্বাস বলেন, আমার শোরুম থেকে এর আগেও অনেকেই পণ্য ক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা ও পণ্য পেয়েছেন৷
এরই ধারাবাহিকতায় আজ আলম মোল্যা ১ লক্ষ টাকার পুরস্কার পেলেন৷ আপনারা বিশ্বস্ততার সাথে আমার শোরুম থেকে পণ্য ক্রয় করতে পারেন৷ আলম মোল্যা বলেন,আমি সীমাখালী ওয়ালটন শোরুম থেকে মাত্র ৩০ হাজার টাকা দিয়ে একটি ফ্রিজ কিনে ছিলাম৷ আমার কপালে ১ লক্ষ টাকা যে আছে তা আমি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি৷ তবে ১ লক্ষ টাকার পুরস্কার পণ্য পেয়ে আমি খুবই খুশি৷

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
ফারুক আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার, মাগুরাঃ 





















