দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
মাগুরা শ্রীপুরের ওয়াপদা মোড়ে ১৬ জুলাই পুলিশের নির্যাতনে মৃত ছালাম হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন করা হয়। বুধবার ২০ জুলাই সকাল ১০ টার সময় মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে মানববন্ধন করা হয়েছে। স্থানীয় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে জেলা বাস মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইমদাদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বাবু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ মোল্লা, আমির মিয়া, নাসির খান, মনিরুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে তারা আব্দুস ছালামের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরন অভিযুক্ত এস আই জামালের ফাঁসির দাবি জানান।আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে দাবি না মানলে দক্ষিন বঙ্গের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে জানান শ্রমিক নেতারা। আরও পড়ুনঃ সালথা উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেওয়ার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন উল্লেখ্য গত ১৬ জুলাই নাকোল ফাঁড়ির ইন চার্জ এস আই জামাল মোটর শ্রমিক আব্দুস সালামকে মারধর করে ফাড়িতে নিয়ে নির্যাতন করলে তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে ১৮ জুলাই তার স্ত্রী যমুনা বেগম ৪ পুলিশ সদস্যসহ ৫ জনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলা গ্রহন পূর্বক পি বি আইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
মাগুরা শ্রীপুরের ওয়াপদা মোড়ে ১৬ জুলাই পুলিশের নির্যাতনে মৃত ছালাম হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন করা হয়। বুধবার ২০ জুলাই সকাল ১০ টার সময় মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে মানববন্ধন করা হয়েছে।
স্থানীয় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে জেলা বাস মিনিবাস মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইমদাদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বাবু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ মোল্লা, আমির মিয়া, নাসির খান, মনিরুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে তারা আব্দুস ছালামের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরন অভিযুক্ত এস আই জামালের ফাঁসির দাবি জানান।আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে দাবি না মানলে দক্ষিন বঙ্গের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে জানান শ্রমিক নেতারা।
উল্লেখ্য গত ১৬ জুলাই নাকোল ফাঁড়ির ইন চার্জ এস আই জামাল মোটর শ্রমিক আব্দুস সালামকে মারধর করে ফাড়িতে নিয়ে নির্যাতন করলে তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে ১৮ জুলাই তার স্ত্রী যমুনা বেগম ৪ পুলিশ সদস্যসহ ৫ জনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলা গ্রহন পূর্বক পি বি আইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।