দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
মহম্মদপুরে করোনা পজিটিভ শুনে হাসপাতাল থেকে পালালো ৩ রোগী।
করোনা পজিটিভ শুনে হাসপাতাল থেকে পালিয়েছে চিকিৎসাধীন তিন রোগী। পরে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে তিনটি বাড়িই লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন। ঘটনাটি মহম্মদপুর উপজেলায়। মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা: কাজী আবু আহসান জানান, সোমবার রাতে জ্বর, ঠাণ্ডা ও কাশিসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ছয়জন রোগী। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তাদের করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বুধবার সকালে রিপোর্ট আসে। এতে দেখা যায়, তাদের মধ্যে তিনজনের করোনা পজিটিভ। এ খবর শুনেই পজিটিভ ঐ তিন রোগী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানায়, বিষয়টি জানতে পেরে হাসপাতালের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে দু’জন রোগীর বাড়ি সদর ইউনিয়নের রুইজানি গ্রামে। অপরজনের বাড়ি বিনোদপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামে। উপজেলা প্রশাসনের লোকজন ঐসব বাড়িতে যান। তারা রুইজানি গ্রামে দু’জনকে পাওয়া গেলেও নারানপুর গ্রামের ওই রোগীকে পাননি। পরে তাকে শ্যামনগর গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়িতে খুঁজে পাওয়া যায়। মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল বলেন, ঐ তিনজন করোনা রোগীর অবস্থান নেয়া তিনটি বাড়িই লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে লাল পাতাকা টাঙানো হয়েছে। এ ছাড়া তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তাও দেয়া হয়েছে।
করোনা পজিটিভ শুনে হাসপাতাল থেকে পালিয়েছে চিকিৎসাধীন তিন রোগী। পরে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে তিনটি বাড়িই লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন। ঘটনাটি মহম্মদপুর উপজেলায়।
মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা: কাজী আবু আহসান জানান, সোমবার রাতে জ্বর, ঠাণ্ডা ও কাশিসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ছয়জন রোগী। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তাদের করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বুধবার সকালে রিপোর্ট আসে। এতে দেখা যায়, তাদের মধ্যে তিনজনের করোনা পজিটিভ। এ খবর শুনেই পজিটিভ ঐ তিন রোগী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানায়, বিষয়টি জানতে পেরে হাসপাতালের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে দু’জন রোগীর বাড়ি সদর ইউনিয়নের রুইজানি গ্রামে। অপরজনের বাড়ি বিনোদপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামে। উপজেলা প্রশাসনের লোকজন ঐসব বাড়িতে যান। তারা রুইজানি গ্রামে দু’জনকে পাওয়া গেলেও নারানপুর গ্রামের ওই রোগীকে পাননি। পরে তাকে শ্যামনগর গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়িতে খুঁজে পাওয়া যায়।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল বলেন, ঐ তিনজন করোনা রোগীর অবস্থান নেয়া তিনটি বাড়িই লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে লাল পাতাকা টাঙানো হয়েছে। এ ছাড়া তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তাও দেয়া হয়েছে।