আপডেট টাইম :
০১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১
৫৮৬
বার পঠিত
ব্যস্ত সময় পার করছে সদরপুরের কামাররা
পবিত্র ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের কামাররা ব্যস্ত সময় পার করছে। দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে দা, বটি, চাপাতি, ছুরিসহ কোরবানীর মাংস কাটার বিভিন্ন অস্ত্র তৈরী পুরনোগুলোতে শান দিতে ব্যস্ত কারিগররা। তারা উত্তপ্ত লোহা পিটিয়ে নিদিষ্ট বস্তুতে পরিনত করছে। ঈদের দিন পর্যন্ত চলবে এমন ব্যস্ততা। তবে মহামারি করোনা প্রাদুর্ভাব ও দীর্ঘদিন লকডাউন থাকায় ক্রেতা কমে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হচ্ছেনা কামারদের। তৈরি যন্ত্রপাতি ব্যবহার হয় দৈনন্দিন জীবন-যাপনে ও প্রতি বছর ঈদুল আযাহা কোরবানির পশু মাংস কাটার কাজে। উপজেলার সদর বাজারে কর্মকার নির্মল চন্দ্র দাস জানান, বছরের বেশির ভাগ সময়ই আমাদের কাজ তেমন থাকে না। মহামারি করোনার ভাইরাসের কারণে প্রতিবছরের তুলনায় এ বছর ঈদুল আযাহার কাজ একবারে নেই বললেই চলে। বহু কষ্টে ছেলে মেয়ে নিয়ে দিন যাপন করছি। কৃষ্ণপুর বাজারের কামার কালাচান দাস বলেন, ঈদুল আযাহা এলেই মনে হয় আমাদের ভাগ্যে সু’দিন এসেছে তাই নিরলস পরিশ্রম করে তৈরি করছি কোরবানির যন্ত্রপাতি। করোনার জন্য দেখতেছি সব পরিশ্রম ব্যর্থ হবে। তারা আরো বলেন, অস্ত্র তৈরির প্রয়োজনীয় মালামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদেরও মালামাল বেশি দামে কিনতে হয়। এতে কিছুটা বেশি দামে আমাদের যন্ত্রপাতি বিক্রি করতে হচ্ছে। ফরিদপুরের সদরপুরে বিভিন্ন বাজারে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা।
পবিত্র ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের কামাররা ব্যস্ত সময় পার করছে। দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে দা, বটি, চাপাতি, ছুরিসহ কোরবানীর মাংস কাটার বিভিন্ন অস্ত্র তৈরী পুরনোগুলোতে শান দিতে ব্যস্ত কারিগররা। তারা উত্তপ্ত লোহা পিটিয়ে নিদিষ্ট বস্তুতে পরিনত করছে।
ঈদের দিন পর্যন্ত চলবে এমন ব্যস্ততা। তবে মহামারি করোনা প্রাদুর্ভাব ও দীর্ঘদিন লকডাউন থাকায় ক্রেতা কমে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হচ্ছেনা কামারদের।
তৈরি যন্ত্রপাতি ব্যবহার হয় দৈনন্দিন জীবন-যাপনে ও প্রতি বছর ঈদুল আযাহা কোরবানির পশু মাংস কাটার কাজে। উপজেলার সদর বাজারে কর্মকার নির্মল চন্দ্র দাস জানান, বছরের বেশির ভাগ সময়ই আমাদের কাজ তেমন থাকে না।
মহামারি করোনার ভাইরাসের কারণে প্রতিবছরের তুলনায় এ বছর ঈদুল আযাহার কাজ একবারে নেই বললেই চলে। বহু কষ্টে ছেলে মেয়ে নিয়ে দিন যাপন করছি।
কৃষ্ণপুর বাজারের কামার কালাচান দাস বলেন, ঈদুল আযাহা এলেই মনে হয় আমাদের ভাগ্যে সু’দিন এসেছে তাই নিরলস পরিশ্রম করে তৈরি করছি কোরবানির যন্ত্রপাতি। করোনার জন্য দেখতেছি সব পরিশ্রম ব্যর্থ হবে।
তারা আরো বলেন, অস্ত্র তৈরির প্রয়োজনীয় মালামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদেরও মালামাল বেশি দামে কিনতে হয়। এতে কিছুটা বেশি দামে আমাদের যন্ত্রপাতি বিক্রি করতে হচ্ছে।
ফরিদপুরের সদরপুরে বিভিন্ন বাজারে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা।