আপডেট টাইম :
০৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪
২৪৪
বার পঠিত
বোয়ালমারীতে ৫ লাখ টাকার অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বিপুল পরিমান অবৈধ চায়না, দুয়ারি,ভেষাল জাল, কারেন্ট ও কাঁথা জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের মুজুরদিয়া গ্রামের অংশে কুমার নদে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটককৃত অবৈধ জালের মধ্যে চায়না দোয়ারী ৫৩ পিচ, ভেষাল জাল ২ পিচ, কারেন্ট জাল ৫ পিচ, কাঁথা জাল ৪ পিচ। এ জালের বাজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দীন, নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মো. আদিল, সাতৈর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রাফিউল আলম মিন্টু। সার্বিক সহযোগীতা করেন সাতৈর ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ। মৎস কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দীন জানান, ১৯৫০ মৎস সংরক্ষণ আইন অনুসরণ করে জেলা মৎস অফিসারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশীয় মাছ রক্ষার্থে অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়। আরও পড়ুনঃ বাঘায় আগুনে ছাগল, টাকা–ঘর পুড়ে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, কারেন্ট জাল ব্যবহারে মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হয়। দেশীয় মাছ রক্ষার জন্য, মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রীর নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। নদীতে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বিপুল পরিমান অবৈধ চায়না, দুয়ারি,ভেষাল জাল, কারেন্ট ও কাঁথা জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের মুজুরদিয়া গ্রামের অংশে কুমার নদে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটককৃত অবৈধ জালের মধ্যে চায়না দোয়ারী ৫৩ পিচ, ভেষাল জাল ২ পিচ, কারেন্ট জাল ৫ পিচ, কাঁথা জাল ৪ পিচ। এ জালের বাজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দীন, নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মো. আদিল, সাতৈর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রাফিউল আলম মিন্টু। সার্বিক সহযোগীতা করেন সাতৈর ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ।
মৎস কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দীন জানান, ১৯৫০ মৎস সংরক্ষণ আইন অনুসরণ করে জেলা মৎস অফিসারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশীয় মাছ রক্ষার্থে অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, কারেন্ট জাল ব্যবহারে মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হয়। দেশীয় মাছ রক্ষার জন্য, মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রীর নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। নদীতে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।