জেনেশুনে চোরাই গরু কিনলেন সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যান। যদিও তিনি না জেনে কিনেছেন বলে দাবি করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নে।
জানা যায়, দাদপুর ইউনিয়নের মোবারকদিয়া গ্রামের পাঁচু শেখের ছেলে আলমগীর শেখ গত ২১ মার্চ গভীর রাতে একটি বিদেশি জাতের উৎকৃষ্ট গাভিন গরু নিজ বাড়িতে আনেন। আলমগীর শেখ পেশায় একজন কসাই। গভীর রাতে গাভিন গরু নিয়ে আসায় এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। কোথা থেকে কার নিকট থেকে গরুটি কিনেছে জানতে চাইলে আলমগীর কোন সদুত্তর দিতে পারে না। এ সময় এলাকাবাসী গরু ক্রয়ের রসিদ দেখাতে বললে আলমগীর নিশ্চুপ থাকেন। এনিয়ে এলাকায় হৈচৈ শুরু হলে এলাকাবাসী আলমগীরকে ওই গরু কারো নিকট বিক্রি অথবা হস্তান্তর করতে নিষেধ করেন।
কিন্তু গরুটি ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শামীম মোল্যা পরদিন সকালে আলমগীর শেখের নিকট থেকে গরুটি কিনে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান বলে অভিযোগ।
এ ব্যাপারে মো. শামীম মোল্যা বলেন, ‘আমি ১ লাখ ৯ হাজার টাকায় গরুটি কিনেছি। নগদ দিয়েছি ৫০ হাজার টাকা। আমি জানি না গরুটি চোরাই কি-না’
এ ব্যাপারে কসাই আলমগীর শেখের বক্তব্য জানতে বৃহস্পতিবার তার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী জানান ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
চোরাই গরুর খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানাধীন সাতৈর ইউনিয়নের জয়নগর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপ-পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত কুমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ ব্যাপারে জয়নগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপ-পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত কুমার বলেন, ‘ওসি স্যারের নির্দেশে শামীম মোল্যা সাহেবকে বলেছি যার কাছ থেকে গরু কিনেছেন তাকে আনতে। যতদিন গরুর মালিককে পাওয়া না যায়, ততদিন গরুটি তার (শামীম মোল্যা) হেফাজতে রাখতে বলেছি।’

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
মোল্যা মনিরুজ্জামান, বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি 





















