আব্দুল হামিদ মিঞা:
রাজশাহীর বাঘায় গোয়ালঘর থেকে গরু-ছাগল চুরির সময় ধরা পড়ে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন দুই ব্যক্তি। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে। অপরজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের নাম শিমুল (২৮)। তিনি বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোতকাদিপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে। আহত অপরজন একই গ্রামের নবীর উদ্দিনের ছেলে সমজান (৫০)। তাকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দিবাগত রাতে জোতকাদিপুর গ্রামের ইয়াছিরুলের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে গরু-ছাগল চুরির চেষ্টা করেন শিমুল ও সমজান।
মালিক ইয়াছিরুল বিষয়টি টের পেয়ে শয়নকক্ষের দরজা খুলে ‘চোর চোর’ বলে চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। এ সময় স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করে মারধর করেন।
পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাদের একই ভ্যানে করে রাত পৌনে ২টার দিকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইসমাইল শিমুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আহত সমজানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রামেক হাসপাতালে পাঠানোর আগে সমজানের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও অচেতন থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও ইয়াছিরুল জানান, গোয়ালঘরে আনুমানিক ১ লাখ টাকা মূল্যের একটি গরু এবং আড়াই লাখ টাকা মূল্যের সাতটি ছাগল ছিল। সেগুলো চুরির সময় বিষয়টি টের পেয়ে শয়নকক্ষ থেকে দরজা খুলে ‘চোর চোর’ বলে ডাক দেওয়ার পর এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে তাদের ধরে ফেলে।
বাঘা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুপ্রভাত মণ্ডল জানান, নিহতের মরদেহ হেফাজতে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ইয়াছিরুলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে 
আব্দুল হামিদ মিঞা, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 




















